E-Paper

সাইবাবার মুক্তিতে সায় সুপ্রিম কোর্টের

নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচক জি এন সাইবাবার বিরুদ্ধে মাওবাদীদের সঙ্গে যোগ এবং সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে সরকার উচ্ছেদের অভিযোগ এনে ইউএপিএ-র ধারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৪ ০৮:১৩
Representative Image

বিশিষ্ট অধিকার কর্মী জি এন সাইবাবা। —ফাইল ছবি।

বিশিষ্ট অধিকার কর্মী জি এন সাইবাবা ও পাঁচ জনের বেকসুর মুক্তির যে রায় বম্বে হাই কোর্ট দিয়েছে, তাতে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। এমনকি এই মামলা জরুরি ভিত্তিতে উত্থাপন ও নিষ্পত্তির জন্য মহারাষ্ট্র সরকার যে মৌখিক আর্জি জানিয়েছিল, তাও খারিজ করে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল— এটা এমন কোনও গুরুতর বিষয় বলে তাঁরা মনেই করেন না। সাইবাবার মুক্তির নির্দেশকে ‘বহু পরিশ্রমে পাওয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতিরা।

নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচক জি এন সাইবাবার বিরুদ্ধে মাওবাদীদের সঙ্গে যোগ এবং সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে সরকার উচ্ছেদের অভিযোগ এনে ইউএপিএ-র ধারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বম্বে হাই কোর্টের নাগপুর বেঞ্চ শুনানির পরে বলে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগই রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারেনি। এমনকি যে সব জিনিস তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ দেখিয়েছে, তাকেও সন্দেহজনক বলে জানিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতিরা। তার পরে সাইবাবার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভ্রান্ত বলে মন্তব্য করে তাঁকে দ্রুত মুক্তির জন্য সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল হাই কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি বি আর গাভাই এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতা জানান—এটাই প্রথম নয়, আগেও এক বার আদালত তাঁকে বেকসুর রায় দেওয়ার পরে গ্রেফতার করে ফের মামলা শুরু করে রাষ্ট্রপক্ষ। বিষয়টি উল্লেখ করে হাই কোর্টে মুক্তির রায়কে ‘বহু পরিশ্রমে পাওয়া’ বলেন বিচারপতিরা। এই রায়ের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ দেওয়ার যে আর্জি রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, তা মানেননি দুই বিচারপতি। বরং প্রশ্ন তুলেছেন, অকারণে ১০ বছর কারাগারে কেন থাকতে হল তাঁর মতে এক জন বিশিষ্ট মানুষকে?

সাইবাবা এ দিন জানান, গ্রেফতারের পরে দিল্লির রামলাল আনন্দ কলেজের শিক্ষকের চাকরি থেকে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ সহ চাকরিতে পুনর্বহাল চান তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, “এখনও মনে হয় না আমি মুক্তি পেয়েছি। আজও মনে হয় আমি ওই কুৎসিত কারাগারেই বন্ধ হয়ে রয়েছি। এ যেন অগ্নি পরীক্ষা, যা আমাকে পর পর দু’বার
দিতে হয়েছে!”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy