• নিজস্ব সংবাদদাতা 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

হু-র সম্মেলনে চাপে রাখার প্রয়াস চিনকে

WHO
প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসের উৎস খুঁজে গোটা বিষয়টির নিরপেক্ষ, স্বাধীন এবং সামগ্রিক মূল্যায়ন চেয়ে একটি প্রস্তাব জমা পড়ল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র কাছে। সোমবার থেকে জেনিভায় শুরু হওয়া হু-এর সর্বোচ্চ বার্ষিক সম্মেলন (ওয়ার্ল্ড হেল্থ অ্যাসেম্বলি)-এ প্রস্তাবটি পেশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অস্ট্রেলিয়া। সমর্থন করেছে ভারত ছাড়াও শতাধিক দেশ। প্রস্তাবটিতে অবশ্য কোথাও চিনের নাম করা হয়নি।

উহান থেকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া এই কোভিড-১৯ অতিমারির আকার নেওয়ায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে চিনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ইইউ-র বিভিন্ন রাষ্ট্র। এই ভাইরাসকে চিনা-ভাইরাস বলে দাগিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। চিনের বিরুদ্ধে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে তারা। ভারত অবশ্য, এত দিন কারও পক্ষই প্রকাশ্যে নেয়নি। তবে চিনকে চাপে রাখার নীতিই নিয়ে চলছে দিল্লি। ইইউ-র প্রস্তাবের সমর্থন তারই অংশ বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। অন্য দিকে গোটা বিষয়টির তীব্র নিন্দা করেছে বেজিং। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই মুহূর্তে করোনার উৎস খোঁজার চেষ্টা ‘চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার’ পরিচয়ক। এর ফলে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক সমন্বয় তৈরি করার চেষ্টা বিপর্যস্ত’ হতে পারে।    

সূত্রের খবর, গোটা বিষয়টি চিনকে কিছুটা চাপে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি ভাবে চিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার মতো কূটনৈতিক দম আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো কতিপয় দেশ ছাড়া বাকিরা কতটা দেখাবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, তাইওয়ানের যে তাস খেলার জন্য আমেরিকা চাপ দিচ্ছে, সেটাও শেষ পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হবে হু-এর চলতি বৈঠকে। আমেরিকার দাবি, তাইওয়ানকে হু-এর পর্যবেক্ষক হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করা হোক। সে ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের উৎস দেশ হিসেবে চিনকে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন: অবৈধভাবে প্রবেশ করা ১৬১ ভারতীয়কে ফেরত পাঠাবে আমেরিকা

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন