অরুণাচল সীমান্তে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের ‘বিপুল’ সম্ভার নিয়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে চিনের। দিন কয়েক আগেই চিনা সেনাবাহিনীর মুখপত্রে ভারতের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ফের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলল চিন। এ বার সেনাবাহিনী নয়, চিনের বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি দিল ব্রহ্মস মোতায়েন ইস্যুতে। ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পথ বেছে নেওয়ার বদলে উল্টো রাস্তায় হাঁটবে না বলেই চিন আশা করে, বললেন চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে টুকরো টুকরো করার ডাক সে দেশেরই প্রভাবশালী রাজনীতিকের

ভারতের কোনও সামরিক পদক্ষেপ নিয়েই চিন এত উদ্বেগ আগে কখনও দেখায়নি। কিন্তু অরুণাচল প্রদেশে এলএসি (লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) বরাবর ভারত সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস মোতায়েন করতে শুরু করায় চিনের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। চিনা সেনাবাহিনী পিপল’স লিবারেশন আর্মির মুখপত্রে লেখা হয়েছিল, আত্মরক্ষার জন্য যতগুলি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা প্রয়োজন, সীমান্তে ভারত তার চেয়ে অনেক বেশি ব্রহ্মস রাখছে। ইউনান এবং তিব্বতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে বলেও চিনা সেনার মুখপত্রে লেখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ফের সেই রকমই সুর শোনা গেল চিনা বিদেশ মন্ত্রকের কণ্ঠে। মন্ত্রকের মুখপাত্র উ কিয়ান এ দিন বলেছেন, ‘‘আমরা আশা করি সীমান্তে এবং গোটা অঞ্চলে শান্তি এবং সুস্থিতির বিপরীতে কাজ না করে বরং শান্তি ও সুস্থিতির স্বার্থে ভারত আরও অনেক কিছু করতে পারে।’’ চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র যা বলেছেন, তাতে স্পষ্ট যে ভারত সীমান্তে যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাকে শান্তি ও সুস্থিতির বিপক্ষে বলেই মনে করছে চিন।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে অবশ্য আগেই জানানো হয়েছিল, নিজেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য দেশের কোন অংশে সামরিক পরিকাঠামো কী ভাবে বাড়ানো হবে, তা ভারতই স্থির করবে। এ বিষয়ে অন্য কোনও দেশের পরামর্শ ভারত শুনবে না।