প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আগামী সপ্তাহে একই মঞ্চে দেখা যেতে পারে। 

হিউস্টনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনদের একটি সভায় ২২ সেপ্টেম্বর মোদীর থাকার কথা। সেখানে ট্রাম্প যেতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। তার পরে ওয়াশিংটনে বা নিউ ইয়র্কে দুই রাষ্ট্রনেতার একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সরকারি ভাবে হোয়াইট হাউস এখনও চূড়ান্ত কিছু জানায়নি। হিউস্টনের সভায় ৫০ হাজারেরও বেশি ভারতীয়-মার্কিনরা থাকবেন। যাঁদের অনেকেই আগামী মার্কিন নির্বাচনের ভোটার। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প-মোদী কথা হলে দুই-দেশের পক্ষেই তা লাভজনক হবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের। 

অগস্টে ফ্রান্সে জি-৭-এর ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে মুখোমুখি হয়েছিলেন ট্রাম্প-মোদী। এ বার দেখা হলে বিগত কয়েক মাসের তিক্ততা কাটিয়ে বহু প্রত্যাশিত বাণিজ্য-চুক্তি ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গত জুনে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে ভারতকে দেওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বাতিল করেছিল আমেরিকা। বহু পণ্যের উপরে শুল্কের ছাড় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নয়া চুক্তি হলে রফতানি ক্ষেত্রে লাভের আশা দেখছে ভারত। 

দুই রাষ্ট্রনেতার কথা হলে কাশ্মীর প্রসঙ্গেও ইতিবাচক বার্তা মিলবে বলে আশায় মোদী সরকার। বেশ কিছু দিন আগে কাশ্মীর পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন মেনে নেয়, কাশ্মীর ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয়। ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মার্কিন মুলুকে থাকবেন মোদী। ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় তিনি বক্তৃতা দেবেন। তাঁর পরেই ওই সভায় বক্তৃতা দেওয়ার কথা পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর প্রসঙ্গই তুলে ধরতে চান ইমরান। সেখানে ট্রাম্পের সমর্থন পেলে সুবিধা হবে ভারতেরই।