এ বার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এইচওয়ান-বি ভিসা নীতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নামীদামি মার্কিন শিল্পসংস্থাগুলির ৫৯ জন কর্ণধার। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাপল-এর সিইও টিম কুক, জেপি মর্গ্যান চেজ অ্যান্ড কোম্পানির সিইও জ্যামি ডিওন ও পেপসিকো-র ইন্দ্রা নুয়ি ও আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ডাউগ পার্কারের মতো শিল্পোদ্যোগীরা। দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করতে দিনকয়েক আগে ওই শিল্প-কর্ণধারদেরই নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পাঠানো তাঁদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে মার্কিন শিল্পসংস্থাগুলির ৫৯ জন কর্ণধার লিখেছেন, ‘‘প্রশাসন এই ভাবে অভিবাসন নীতি বদলে ফেলায় আমাদের কর্মচারীরা খুব বিপদে পড়ে গিয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই অত্যন্ত দক্ষ ও শিক্ষিত কর্মচারী। তাঁদের উদ্বেগের কারণ, নতুন অভিবাসন নীতিতে তাঁদের স্বামী বা স্ত্রীয়ের এইচওয়ান-বি ভিসা বাতিল হয়ে যেতে চলেছে। তার ফলে, তাঁদের কাজ ছেড়ে দেশে ফিরে যেতে হবে বা পরিবারবিচ্ছিন্ন হয়ে থেকে যেতে হবে।’’

মার্কিন শিল্পসংস্থাগুলির কর্ণধাররা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লিখেছেন, ‘‘এর ফলে, যাঁরা দীর্ঘ দিন ধরে আমেরিকার অভিবাসন নীতি মেনে চলেছেন অক্ষরে অক্ষরে, তাঁরাই পড়ে গিয়েছেন গভীর অনিশ্চয়তায়। অন্য দিকে, মার্কিন শিল্পসংস্থাগুলিতে দক্ষ, শিক্ষিত কর্মীদের তীব্র অভাব দেখা দেবে। তাতে দুর্বল হয়ে পড়বে মার্কিন অর্থনীতি।’’

আরও পড়ুন- ইমপিচমেন্ট হলে অর্থনীতি ধসে পড়বে, দাবি ট্রাম্পের​

আরও পড়ুন- শীর্ষ ব্যাঙ্ককে বিঁধলেন ট্রাম্প, ধাক্কা ডলারে​

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পাঠানো চিঠিতে ৫৯ জন মার্কিন শিল্প-কর্ণধার লিখেছেন, ‘‘এর ফলে শুধুই মার্কিন শিল্পসংস্থা বা তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিই বিপদে পড়বে তা-ই নয়। বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়বেন প্রচুর অর্থনীতিবিদ, স্থপতি, চিকিৎসক ও অধ্যাপক। কারণ, এইচওয়ান-বি ভিসার দৌলতেই তাঁরা দীর্ঘ দিন ধরে মার্কিন মুলুকে রয়েছেন। আর তাঁদের জন্য আমেরিকায় ওই ক্ষেত্রগুলি সমৃদ্ধ হয়েছে, হয়ে চলেছে।’’