স্থগিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফর। সে দেশের সংস্থাকে প্রতিরক্ষা বরাত না-দেওয়ার অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এ বার তুরস্ক সফরের ক্ষেত্রে ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সতর্কতা জারি করল ভারত। কাশ্মীর প্রশ্নে তুরস্কের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। 

সে দেশের ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে আজ এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়, ‘‘গোটা অঞ্চলে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তুরস্ক সফররত ভারতীয় পর্যটকদের সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এটা ঠিকই যে এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয়ের বিপদে পড়ার খবর নেই। সমস্যা হলে সাহায্যের জন্য অবিলম্বে ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’’ 

আপাত ভাবে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কুর্দ মিলিশিয়া ও তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের বিষয়টিকে এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ভারতের কাশ্মীর নীতির তীব্র বিরোধিতা করে মালয়েশিয়া ও তুরস্ক।

প্যারিসে এফএটিএফ শীর্ষ সম্মেলনেও পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করা ঠেকাতে সক্রিয় হয় দেশ দু’টি। ভারত এতে ক্ষুব্ধ। তার পরেই এই দু’দেশকে বাণিজ্যিক ভাবে কোণঠাসা করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ করছে সাউথ ব্লক। মালয়েশিয়া থেকে পাম তেল আমদানি কমিয়ে দেওয়া ও তুরস্ক থেকে বায়ুসেনা সরঞ্জাম কেনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বার নিশানায় তুরস্কের পর্যটন শিল্প। প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ভারতীয় পর্যটক চলতি বছরের প্রথম ছ’মাসে গিয়েছেন সে দেশে। বৃদ্ধির হার ৫৬%। তুরস্কের পর্যটন শিল্পে ধাক্কা দিতেই এই সিদ্ধান্ত বলেই ধারণা কূটনীতিকদের।