২০১৬ সালে সৎমেয়েকে খুনের অভিযোগ ছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলার বিরুদ্ধে। এ বার সেই অভিযোগ প্রমাণিত হল মার্কিন আদালতে।

শামদাই অর্জুন নামের বছর পঞ্চান্নর এই মহিলাকে নিউ ইয়র্কে কুইনস সুপ্রিম কোর্টে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ‘‘নৃশংস এই ঘটনা। এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসাবে ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে তাঁকে, কারণ এই অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য,’’ জানিয়েছেন বিচারপতি কেনেথ হোল্ডার।

আশদীপ কউর নামে বছর নয়ের মেয়েটির দায়িত্ব ছিল অর্জুনেরই উপরে। ওই মেয়েটিকে খুনের একজন প্রত্যক্ষদর্শীও ছিল। স্বামী সুখজিন্দর সিংহের সঙ্গে রিচমন্ড হিলে থাকতেন তিনি। বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল মেয়েটি। মাত্র তিন মাস পরই খুন হয় সে সৎমায়ের হাতে।

আরও পড়ুন: ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ বাইরে থেকে, আগুন লেগেছে বুঝেও বেরতে পারল না কিশোরী

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছিলেন, বাড়ির শৌচাগারের আলো দীর্ঘক্ষণ নেভেনি। আড়াই ঘণ্টা পর অর্জুন বাড়ির বাইরে বেরনোর সময় মেয়েটি কোথায় জানতে চাওয়ায় অর্জুন বলেন, সে বাবার জন্য অপেক্ষা করছে ঘরেই। পরে শিশুটির বাবা এসে দেখেন, বাথটবে নগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে তাঁর মেয়ে। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, শ্বাসরোধ করেই হত্যা করা হয়েছিল ওই নাবালিকাকে। তাঁর গায়ে অসংখ্য ক্ষতচিহ্নও ছিল।

আরও পড়ুন: ‘আকাশে মেঘ নেই, তাই আমার পোষ্য রেডারের সিগনাল পাচ্ছে’, মোদীকে কটাক্ষ ঊর্মিলার​

শামদাই ছাড়াও তাঁর দ্বিতীয় স্বামী ৬৫ বছরের রেমন্ড নারায়ণকেও পুলিশকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শামদাইয়ের প্রথম স্বামী সুখজিন্দর সিংহের আত্মীয়রা বলেন, মেয়েটিকে এর আগেও শারীরিক নিগ্রহ করেছিল তার সৎমা। খুন করার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল নাবালিকাকে।

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করে পোস্ট, বিজেপি নেত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট​