উত্তর কোরিয়ার পণ্যবাহী জাহাজ আটক করল আমেরিকা। নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করার অভিযোগ এনে সেটিকে আটকানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। জাহাজ আটক করা নিয়ে ফের উত্তর কোরিয়া-আমেরিকা চাপানউতোর শুরু হবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

ঘটনাচক্রে গত কালই ফের (এ সপ্তাহে দ্বিতীয় বার) ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। যার পরিপ্রেক্ষিতে হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমার মনে হয় না, ওরা আপসের জন্য তৈরি। আমরা বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। কেউই বিষয়টি নিয়ে খুশি নয়।’’ প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কিছু ক্ষণ আগেই মার্কিন বিচার বিভাগ কিমের দেশের জাহাজ আটকানোর খবর প্রকাশ করে।

পরমাণু কর্মসূচি থেকে উত্তর কোরিয়াকে সরে আসার জন্য দীর্ঘদিন চাপ দিয়ে আসছে আমেরিকা। দু’বার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চ্যান্সেলার কিম জং উন বৈঠকে বসেও সে বিষয়ে কোনও সমাধানসূত্রে পৌঁছতে পারেননি। 

‘এম/ভি ওয়াইজ় অনেস্ট’ নামে যে জাহাজটি আটকানো হয়েছে, তাতে করে আগে উত্তর কোরিয়ার মূল্যবান কয়লা এনে চিন-সহ অন্য দেশে বিক্রির জন্য পাঠানো হত। ওই জাহাজটিতে হাজার হাজার টন পণ্য চাপানো যেত। কয়লা ছাড়াও সেটিতে ভারী যন্ত্রাংশ পাঠানোর কাজ করা হত। এখন রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং ওয়াশিংটনের দাবি, উত্তর কোরিয়া অবৈধ পথে কয়লা বিক্রি করে 

দেশের পরমাণু প্রকল্পের অর্থ জোগাড় করছে। জাহাজটি এখন আমেরিকান সামোয়ার পথে। জাহাজটিকে গত বছরের এপ্রিল মাসে ইন্দোনেশিয়া নৌবাহিনী আটক করে। এর পরে জুলাই মাসে সেটি আটক করতে পরোয়না জারি করেন মার্কিন বিচারক।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, জাহাজ আটকানোর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক কার্যকলাপের কোনও সম্পর্ক নেই।