বিশেষ কারও সঙ্গে সিনেমা দেখতে যাওয়ার হঠাৎ পরিকল্পনা, আর এ দিকে চুল কী রকম চিটচিটে হয়ে আছে। হাতে সময় এতই কম যে, শ্যাম্পুও করা যাবে না! এ ক্ষেত্রে ড্রাই শ্যাম্পু দিয়েই হতে পারে মুশকিল আসান। শুকনো চুলে লাগিয়ে নিলেই এসে যাবে ফুরফুরে ভাব।
সময়ের অভাবে শ্যাম্পু করাটা যেন বড় ঝক্কির কাজ। তখন ভরসা সেই ড্রাই শ্যাম্পুই। মহিলাদের জরুরি প্রসাধনীর তালিকায় ড্রাই শ্যাম্পু অপেক্ষাকৃত নতুন সংযোজন। স্প্রে, পাউডার এবং লিক্যুইড— এই তিন ধরনের ড্রাই শ্যাম্পু হয়। তবে বাজারে পাউডার আর স্প্রে-ই বেশি পাওয়া যায়। বিভিন্ন হেয়ার স্টাইল করতেও এই শ্যাম্পুর ব্যবহার করা হয়। তবে অনেকেই অভিযোগ করেন, ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করে লাভ কিছুই হয় না। জেনে নিন, ব্যবহারের সময় কোন ভুলগুলি এড়িয়ে চলবেন।
১) ড্রাই শ্যাম্পু স্প্রে করে দিলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। ব্যবহারের পর দুই হাত দিয়ে ভাল করে মালিশ করতে হবে। যত ভাল ভাবে মালিশ করবেন, ততই ফল ভাল পাবেন।
২) ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর খানিকটা সময় দিতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে মালিশ করলে লাভ হবে না। প্রসাধনীটি সম্পূ্র্ণ ভাবে মাথার ত্বকে জমে থাকা অতিরিক্ত তেল যাতে শোষণ করে নেয়, সেই সময়টা দিতে হবে।
৩) ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহারের পর চুলের ঘন দেখানোর জন্য জন্য ব্লো-ড্রায়ার ব্যবহার করতে হবে।
৪) অনেকেই মাথার ত্বকের খুব কাছ থেকে এই স্প্রে ব্যবহার করেন। এতে কিন্তু মোটেই কাজ হয় না। মাথার ত্বকে সাদা পাউডারের মতো ছোপ পড়ে যায়। সাধারণত ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে মাথার ত্বক থেকে অন্ততপক্ষে ৮-১২ ইঞ্চি দূ্রত্বে স্প্রে করে।
৫) অতিরিক্ত ব্যবহার করে ফেলেন কেউ কেউ। ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করলে সম্পূর্ণ ভাবে শ্যাম্পুর মতো ফল পাওয়া যায়, এমনটা নয়। মাথার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব খানিকটা কমে। তাই বেশি ব্যবহার করলেই যে বেশি লাভ হবে বিষয়টা সে রকম নয়। উল্টে বেশি ব্যবহার করলে মাথার ত্বকের ফলিকলগুলির মুখে তা জমা হতে থাকে, খুশকির সমস্যা বাড়তে পারে। সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।