Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ভিতরে শৌচালয় তৈরি করে দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রতিদিন বহু মানুষের যাতায়াত ওই হাসপাতালে। কিন্তু শৌচালয়ের অভাবে চরম অসুবিধায় পড়তে হয় মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকেই। একই রকম অবস্থা ফুলবাগানের বিধানচন্দ্র শিশু হাসপাতালেও। সম্প্রতি ওই দুই হাসপাতালের সুপারেরা শৌচালয় গড়ার বিষয়ে পুরসভার সাহায্য চেয়ে আবেদন জানান।

শেষ আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:২০

তিন হাসপাতালে শৌচালয় গড়বে পুরসভা

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ভিতরে শৌচালয় তৈরি করে দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রতিদিন বহু মানুষের যাতায়াত ওই হাসপাতালে। কিন্তু শৌচালয়ের অভাবে চরম অসুবিধায় পড়তে হয় মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকেই। একই রকম অবস্থা ফুলবাগানের বিধানচন্দ্র শিশু হাসপাতালেও। সম্প্রতি ওই দুই হাসপাতালের সুপারেরা শৌচালয় গড়ার বিষয়ে পুরসভার সাহায্য চেয়ে আবেদন জানান। একই সমস্যার কথা জানিয়ে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল প্রতাপচন্দ্র মেমোরিয়াল হোমিওপ্যাথি কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকেও। কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (বস্তি উন্নয়ন) স্বপন সমাদ্দার জানিয়েছেন, ওই তিনটি হাসপাতালের আবেদনের ভিত্তিতেই সেখানে শৌচালয় তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুর-প্রশাসন। তিনি আরও বলেন, “আমরাও বিভিন্ন সময়ে ওই সব হাসপাতালে গিয়েছি। দেখেছি সেখানে শৌচালয়ের অভাবে বহু মানুষ চরম অসুবিধায় পড়েন। সবচেয়ে সমস্যায় পড়েন মহিলারা।” সেই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পুর-কর্তৃপক্ষ শৌচালয় তৈরির কাজে উদ্যোগী হয়েছেন। মেয়র পারিষদ জানিয়েছেন, ওই তিনটি হাসপাতালে ইতিমধ্যেই শৌচালয় তৈরির জন্য জায়গা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পুর-প্রশাসনও সেই মতো নকশা করেছে। জানা গিয়েছে, আর জি করের শৌচালয়টি হবে দোতলা। বাকি দু’টি হাসপাতালে শৌচালয় তৈরি হবে একতলা। স্বপনবাবু জানান, শৌচালয়গুলি বানাতে প্রায় ৬১ লক্ষ টাকা খরচ হবে। টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করে দেওয়া হবে।

জ্বরে মৃত আরও ১

নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

এনসেফ্যালাইটিসের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু হল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম কণিকা বর্মন (২৫)। বাড়ি কোচবিহারের শীতলখুচি এলাকায়। শুক্রবার বিকেলে তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল। সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও এখনও পর্যন্ত রিপোর্ট মেলেনি। শনিবারও খিঁচুনি জ্বর নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে ভর্তি হন দু’জন।

সফল অস্ত্রোপচার

খেলতে-খেলতে নেলপালিশের শিশির প্লাস্টিকের ঢাকনা গিলে ফেলেছিল ছ’মাসের শিশুটি। শ্বাসনালীতে সেই ঢাকনা আটকে শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে ব্রঙ্কোস্কোপি করে ঢাকনা বার করলেন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকেরা। শিশুটি এখন ভাল আছে বলে হাসপাতাল তরফে খবর। গোসাবার ওই শিশুর নাম সূর্য নস্কর। শুক্রবার বাড়িতে খেলছিল সে। আচমকা বারান্দায় পড়ে থাকা একটি নেলপালিশের শিশির ঢাকনা মুখে ঢুকিয়ে দেয়। কিছুক্ষণেই শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। প্রথমে তাকে ক্যানিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার তাকে আনা হয় ন্যাশনালে। সূর্যর অস্ত্রোপচার যিনি করেছেন, সেই কান-গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অতীশ হালদার বলেন, “ঢাকনা বার করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়াই বাড়ির লোক জোর করে শিশুটিকে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে একেবারেই তা অনুচিত।”

জ্বরে আক্রান্ত ৫

এলাকার জ্বর আক্রান্তদের পরিদর্শনে এল স্বাস্থ্য প্রতিনিধি দল। শনিবার হলদিয়া পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনা। দিন কয়েক আগে জ্বরে মৃত্যু হয়েছিল এই এলাকার সাত বছরের এক বালিকার। গত দু’দিন ধরে হলদি নদীর তীরবর্তী রাজারচক বস্তিতে জনা পাঁচেক শিশু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পরই এলাকায় উদ্বেগ ছড়ায়। শনিবার হলদিয়ার বাড়ঘাসিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ এবং হলদিয়া পুরসভার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের এক প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের মুখ্যস্বাস্থ্য অধিকর্তা শৈবাল চক্রবর্তী বলেন, “অসুস্থ শিশুদের রক্ত পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছি। তবে উদ্বেগের কিছু নেই।”

চতুর্থ আন্তর্জাতিক রোগী নিরাপত্তা কংগ্রেস ও চিকিৎসায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে পঞ্চম
আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করছেন অস্ট্রেলীয় অধ্যাপক ক্লিফ হিউগ। সঙ্গে রয়েছেন
চিকিৎসক রূপালি বসু। শনিবার কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটি হাসপাতালে। —নিজস্ব চিত্র

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy