Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৯ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

লাইফস্টাইল

কাফ সিরাপ বা ওষুধ নয়, সর্দি-কাশির জন্য চকোলেট ঢের ভাল

সংবাদ সংস্থা
১২ জানুয়ারি ২০১৯ ১৮:৫৫
হাড় কাঁপানো ঠান্ডা আর নেই। ভারী কিছু গায়ে রাখাই এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আচমকা আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই। সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ এবং জ্বরে কাবু বহু মানুষ। তাই বলে হুট করে কাফ সিরাপ মুখে ঢালবেন না যেন! ওষুধও খেতে হবে না। বরং চকোলেট খান। ঢের ভাল কাজ দেবে। দাবি চিকিত্সকদের। ছবি: পিক্সাবে।

ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব হালের হৃদরোগ ও শ্বাসযন্ত্র বিভাগের প্রধান অ্যালিন মরিস। সংবাদমাধ্যম ডেইলিমেল-এ একটি সমীক্ষা তুলে ধরেছেন তিনি। তাতে জানা গিয়েছে, সর্দি-কাশির নানা ওষুধ পাওয়া যায় বাজারে। কিছু ওষুধের অন্যতম উপাদান কোকো। যে ওষুধে কোকো রয়েছে, সেগুলি খেলে তাড়াতাড়ি রেহাই পাওয়া যায়। ছবি: পিক্সাবে।
Advertisement
চকোলেটের গুণাগুণ নিয়ে এর আগে সওয়াল করতে দেখা যায় লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের বিজ্ঞানীদেরও। তাঁরা বলেন, সর্দি-কাশির ওষুধে কোডিনও ব্যবহার করা হয়। যাতে মাথা ধরা, কাশি এবং কফের সমস্যা দূর হয়। কিন্তু তার চেয়ে দ্রুত গতিতে কাজ দেয় কোকো। মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যা কাটানো যায়। ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটে না। ছবি: পিক্সাবে।

কিন্তু চকোলেটই কেন? এর দুটো কারণ দেখিয়েছেন গবেষকরা। প্রথমত, মধুর মতো গলায় আঠালো একটা আস্তরণ তৈরি করে চকোলেট। তাতে স্নায়ুপ্রান্তগুলি ঢাকা পড়ে যায়। তাই ঠান্ডা লাগলেও গলা খুসখুস করা বন্ধ হয়ে যায়। ছবি: পিক্সাবে।
Advertisement
দ্বিতীয়ত, কোকোর মধ্যে থিওব্রমিন নামের বিশেষ ধরনের অ্যালকালয়েড থাকে, যা কাশির মাধ্যমে বারবার কাফ ফেলার শারীরিক প্রয়োজন কমিয়ে দেয়। ছবি: পিক্সাবে।

সাধারণ ওষুর চেয়ে কোকো বেশি আঠালো হয়। তাই গলার মধ্য তুলনামূলক মোটা আস্তরণ তৈরি করতে সক্ষম হয়। তাতেও কমে যায় কাশি। ছবি: পিক্সাবে।

কাশি হলে অনেকেই মধু খান। তবে গবেষকদের দাবি, মানুকা নামের এক ধরনের গুল্ম উদ্ভিদের ফুল থেকে মৌমাছিরা যে মধু তৈরি করে, সেটি-ই সবচেয়ে বেশি ঔষধিগুণ সম্পন্ন। দোকান-বাজারে যেগুলি পাওয়া যায়, তাতে মোম মিশে থাকে। তাই তেমন কাজ দেয় না। তাই চকোলেট বা ডার্ক চকোলেটের উপর ভরসা করাই ভাল। ছবি: পিক্সাবে।

তবে হট চকোলেটে কাজ হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। কারণ ঈষদুষ্ণ গরম দুধের সঙ্গে চকোলেট মিশিয়ে খেলে, তাড়াতাড়ি গলা বেয়ে নেমে যাবে সেটি। মোটা আস্তরণ আর গড়ে উঠবে না গলায়। ছবি: পিক্সাবে।

ওজন নিয়ে চিন্তা থাকলে, মিষ্টিছাড়া ডার্ক চকোলেট খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। সরাসরি কোকোয়াও খাওয়া যেতে পারে। ছবি: পিক্সাবে।