খাতায় কলমে উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকলেও, এখনও তেমন বৃষ্টি শুরু হয়নি। পুরোদমে বৃষ্টি শুরু হলেই বাতাসে বাড়ে আর্দ্রতার মাত্রা। আর তার ফলেই ঘরদোরে ভিজে ভাব দেখা যায়। মেঝে-দেওয়াল স্যাঁতসেঁতে হয়ে ওঠে। জলাশয় বা পুকুরের পাশে বাড়ি হলে দেওয়ালে নোনাও ধরে।
এমন পরিবেশে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে শখের আসবাবও। কাঠের আসবাবে সাদা তুলোট ছত্রাক পড়ে যায়। আবার নষ্ট হতে পারে শৌখিন গদিওয়ালা সোফা-কাম-বেডও। কী ভাবে বর্ষার মরসুমে আসবাব সামলে রাখবেন?
সরিয়ে দিন: নোনা ধরা, স্যাঁতসেঁতে দেওয়াল থেকে আসবাব সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। আলমারি, সোফা যেটাই থাক, সেটি অন্তত দেওয়ালের একেবারে গা ঘেঁষে না রাখাই ভাল। মাঝে যেন কিছুটা ফাঁক থাকে।
কাঠের আসবাব: কাঠের আসবাবটি পলিশ করিয়ে নিতে পারেন। পলিশ করালে সেটি শুধু চকচকে হয়ে উঠবে না, অতিরিক্ত আর্দ্রতা কাঠের ক্ষতি করতে পারবে না। কাঠ জলের সংস্পর্শে এলে নষ্ট হয়ে যায়। ছত্রাকও জন্মায় অনেক সময়। কোনও কারণ, কঠের আসবাবে জলের ছিটে লাগলে, দ্রুত তা শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
বাতাস চলাচল: বৃষ্টির কারণে জানলা-দরজা বন্ধ রাখলে ঘর ভ্যাপসা, স্যাঁতসেঁতে হয়ে যায়। বাইরের আলো-হাওয়া ঘরে আসতে দিন। এতে স্যাঁতসেঁতে ভাব কমে যাবে। আসবাব কম নষ্ট হবে।
ঢাকা: গদিওয়ালা সোফা, চেয়ার থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি। এই ধরনের আসবাব দ্রুত আর্দ্রতা শোষণ করে। বিশেষত জানলার ধারে চেয়ার, সোফা থাকলে, ঢাকা দেওয়া জরুরি। না হলে, জলের ছাঁটে ভিজে যেত পারে। তা ছাড়া, মাঝেমধ্যেই সেগুলি পরিষ্কার করতে হবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে, গদিগুলি রোদে দিন।