সাজপোশাক যতই সুন্দর হোক, জুতোর ফাঁক থেকে যদি ফাটল ধরা পদযুগল উঁকি মারে, তা হলে সবটাই মাটি হয়ে যায়। গরমে আবার সমস্যা হয় দ্বিগুণ। ঘাম বসে পায়ে ছত্রাকের সংক্রমণ পর্যন্ত হতে পার পায়ের নখে। তা থেকে দুর্গন্ধ আটকানোও বেশ কঠিন।

আবার গরমে পা খোলা জুতো পরলে আর এক ঝক্কি। রোদে পা পুড়ে ট্যানের কবলে দফারফা। কিন্তু তা বলে তো গরমে সৌন্দর্যের সঙ্গে আপস করা যায় না। আবার বাজারচলতি স্ক্রাবে রাসায়নিকের প্রভাবে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। সকলের ত্বকে খাপ খায় না সব রকমের স্ক্রাব। তার চেয়ে ভরসা থাকুক প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে তৈরি ঘরোয়া স্ক্রাবের উপর। এতে কাঠফাটা গরমেও জুতোর ভিতর থেকে উঁকি মারবে একজোড়া কোমল পরিষ্কার পা।

সুন্দর পা পেতে পালার্রে গিয়ে পেডিকিওর করানোর তেমন সময়ও অনেকেই পান না। কিন্তু ঘরোয়া উপায়ে বাড়িতে বসেই পায়ের যত্ন খুব একটা সময়সাপেক্ষ নয়। জেনে নিন কী ভাবে বানাবেন এই ফুটস্ক্রাব।

আরও পড়ুন: রেগে গেলে দুর্বাশা! এই ছয় খাবারেই ঠান্ডা হবে মাথা

ঘরোয়া উপায়ে বানিয়ে নেওয়া স্ক্রাবারে নেই রাসায়নিক থেকে ক্ষতির ভয়। 

উপকরণ: গোলাপ জল- ১ চা চামচ, সি সল্ট- আধ কাপ, এক মুঠো পুদিনা পাতা কুচনো, চারটি গোলাপ ফুলের পাঁপড়ি, এক চা চামচ অলিভ অয়েল, ঠান্ডা জল।

সি সল্ট ও গোলাপ জল অল্প ঠান্ডা জলে মেশান| দেখবেন সি সল্ট যেন গলে না যায়। এ বার এতে কুচোনো পুদিনা পাতা মেশান ও গোলাপ ফুলের পাপড়ি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে এ বার ১ চা চামচ অলিভ অয়েল মেশান| মিশ্রণ যেন বেশি পাতলা না হয়ে যায় আবার খুব গাঢ়ও না হয়। স্ক্রাবারের মতো থকথকে রাখুন তাকে।

আরও পড়ুন: গরমে হৃদরোগ থেকে বাঁচতে খেয়াল রাখুন এই সব উপসর্গে

এ বার পা অল্প ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে নিন। মিশ্রণটি ভালো করে পায়ের পাতায় ও গোড়ালিতে স্ক্রাব করুন। দুই পায়ে অন্তত ১৫ মিনিট স্ক্রাব করবেন আলগা হাতে। এর পরে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে বার তিনেক এমনটা করতে পারলেই পা হয়ে উঠবে সুন্দর ও গরমেও ট্যান ফ্রি।