Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৬ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

লাইফস্টাইল

বিখ্যাত মানুষদের এই সব অদ্ভুত অভ্যাসের কথা জানলে অবাক হবেন

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৯ জুলাই ২০১৮ ১২:৩৬
সারা দিনের কাজের মাঝে এমন অনেক অবাক করা কাণ্ডই আমরা করে থাকি, যার কোনও ব্যাখ্যা হয় না। কেবল মুদ্রাদোষ বা অভ্যাসের দাস হয়েই সে সব করে ফেলি আমরা। তবে এমন সব অদ্ভুত অভ্যাস কেবল সাধারণ মানুষেরই থাকে তা নয়, বরং বেশ কিছু বিখ্যাত মানুষও এর শিকার। ছবি: শাটারস্টক।

ভলতেয়ার: দিনে ক’কাপ কফি খান আপনি? ৫-৬ কাপ? খুব নেশাড়ু হলে ১০ বা ১২? এ বিষয়ে ভলতেয়ারের ভাবনাচিন্তা ছিল একটু অন্যরকম। দিনে ৪০-৫০ কাপ কফি না হ লে মোটেই লেখাপত্রে মন বসত না এই ভদ্রলোকের! চিকিৎসকদের বহু বারণকে জাস্ট বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই অভ্যাস লালন করেছিলেন সারা জীবন। যদিও তাতেও ৮৩ বছর বেঁচেছিলেন তিনি!
Advertisement
বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন: আমেরিকান লেখক, রাজনীতিবিদ ও চিন্তাবিদ মানুষটি নিপাট নিরীহ স্বভাবের হলেও প্রতি দিনের এক অদ্ভুত অভ্যাস ছিল তাঁর। রোজ সকালে ১-২ ঘণ্টা বাড়ির সব জানালা খুলে ঠান্ডা হাওয়ায় নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন তিনি! এই ঠান্ডা হাওয়ার ‘স্নানে’ বড় আস্থাশীল ছিলেন তিনি। ভাবতেন, এই হাওয়া তাঁকে সব অসুখ থেকে দূরে রাখবে।

হেনরি ফোর্ড: ফোর্ড গাড়ির প্রাণপুরুষের প্রিয় খাবার কী ছিল জানেন? সয়াবিনের পাউরুটির সঙ্গে তাঁর রোজ লাগত রাস্তার ধার থেকে তুলে আনা সবুজ ঘাসপালার সুপ! নানা সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছিলেন ‘রোডসাইড গ্রিন’ ছাড়া তাঁর বেঁচে থাকাই দুর্বিসহ! এক দিন টেস্ট করে দেখবেন না কি? ছবি: পিক্সঅ্যাবে।
Advertisement
টমাস আলভা এডিসন: নিজে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মানুষ ছিলেন বলেই কি ব্যক্তিগত জীবনেও ছোট ছোট নানা পরীক্ষার উপর ভরসা করতেন এই বিজ্ঞানী? এমন কোনও রাঁধুনিকে তিনি নিয়োগই করতেন না, যিনি কি না, তাঁর সুপে কতটা নুন দরকার তা চেখে না দেখেই নুন দিয়ে ফেলতেন! সোজা কথায়, আগে চাখা, তার পর নুন যোগ— এই ছিল তাঁর ভাবনা।

বিল গেটস: ধনকুবের এই আমেরিকান শিল্পপতির বায়না রকিং চেয়ারের। কাজে মন দিতে হোক, বা কাজ থেকে সরে খানিক অন্য কিছু ভাবনার অবকাশ— রকিং চেয়ার তাঁর চাই-ই চাই। এই নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে নানা রসিকতারও শিকার তিনি। ছবি: রয়টার্স।

স্টিভ জোবস: ‘অ্যাপল’ জনক মার্কিনি এই প্রযুক্তিবিদ যখন তখন কেঁদে ফেলতেন, এবং তা জনসমক্ষেই। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। আনন্দ হোক বা ব্যর্থতা— কান্না তাঁর আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ছিল। জোবস-এর জীবনীতেও এর উল্লেখ আছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প: কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ে না বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ঘিরে! তিনি যে অদ্ভুতুড়ে অভ্যাসের শিকার হবেন এ আর নতুন কী? হাত নোংরা করা নিয়ে বাতিক আছে তাঁর। সব সময় সঙ্গে থাকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। খুব দরকার না পড়লে কারও সঙ্গে হাত মেলাতেও চান না তিনি। লিফটের বোতাম টিপতেও সরাসরি হাত ব্যবহার তাঁর না পসন্দ! ছবি: এএফপি।