হট্টগোল করে সংসদ ভন্ডুল করার জন্য লোকসভার ২৪ জন এডিএমকে সাংসদকে সাসপেন্ড করলেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। চলতি অধিবেশনেই তাঁরা আর যোগ দিতে পারবেন না। রাজ্যসভাতেও আজ ৯ জন এডিএমকে ও ৪ জন ডিএমকে সাংসদকে এ দিনের জন্য সভা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদের দুই কক্ষেরই অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়।

কাবেরীর জলবণ্টন নিয়ে চলতি অধিবেশনের শুরু থেকেই সংসদে হট্টগোল করছিলেন এডিএমকে সাংসদরা। বিরোধীদের অভিযোগ— মোদী সরকার তথা বিজেপিই ওঁদের দিয়ে হট্টগোল করিয়ে সভা ভন্ডুল করাচ্ছে, যাতে রাফাল থেকে চাষিদের সমস্যা, কোনও বিষয়েই আলোচনা না হয়। সেখানে আজ লোকসভা ও রাজ্যসভায় সেই এডিএমকে সাংসদদেরই শাস্তি দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে, বিরোধীদের অভিযোগ এড়াতেই কি তবে এই শাস্তি?

আজ রাফাল বিতর্কে রাহুল গাঁধীর বক্তব্যের সময়ও শোরগোল করে এডিএমকে। যা দেখিয়ে রাহুল মন্তব্য করেছেন, সরকার এডিএমকে সাংসদদের পিছনে আড়াল খুঁজছে। জবাবে এডিএমকে-র প্রবীণ নেতা, লোকসভার ডেপুটি স্পিকার এম থাম্বিদুরাই বলেন, ‘‘আমাদের অভিযোগ, কাবেরী নদীর 

জলের সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতে রাহুল রাফাল প্রসঙ্গ তুলছেন।’’ কর্নাটকে এখন জেডি(এস)-কংগ্রেস সরকার। তারাই তামিলনাড়ুকে কাবেরীর জল দিচ্ছে না, উল্টে মেকেডাটু বাঁধ তৈরি করে জল আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে এডিএমকে-র অভিযোগ।