ফের বিতর্কে আধার-তথ্য। এ বার একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার তদন্তে উঠে এল, কী ভাবে একটি বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাঁস হয়েছে কোটি কোটি ভারতীয়ের ব্যক্তিগত তথ্য। এত টুকুই নয়, সংস্থাটির তদন্তে দাবি করা হয়েছে, সফটওয়্যার প্যাচের মাধ্যমে ১২ ডিজিটের আধার কার্ডও বানিয়ে ফেলা সম্ভব। আর তা বায়োমেট্রিক তথ্যকে পাশ কাটিয়েই। এই খবর সামনে আসতেই দেশের নিরাপত্তা ও ভারতের নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে।

আধার তথ্য ফাঁস করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এ নিয়ে দেশের বিরোধী দলগুলির অভিযোগ বারবার খারিজ করে এসেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, ইউআইডিএআই-এর সিইও অজয় ভূষণ কিংবা ট্রাইয়ের চেয়ারম্যান আর এস শর্মা দাবি করে এসেছেন, আধারের তথ্য সুরক্ষিত। আর নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কোনও ভাবেই অপব্যবহার করা সম্ভব নয়। কিন্তু  সংস্থাটির তদন্তে উঠে আসা দাবি যদি সত্যি হয়, তা হলে সেটা মোদী সরকারকে বিরাট ভাবে কোণঠাসা করতে পারে।

সংস্থাটির দাবি, বিশেষ সফটওয়্যারটির মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনও প্রান্ত থেকে ১২ ডিজিটের আধার নম্বর তৈরি করা সম্ভব। ব্যবহারকারী বায়োমেট্রিক তথ্যকে পাশ কাটিয়েই আধার পেতে পারেন। এমন হলে দেশের নিরাপত্তার জন্য বড়সড় আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়েও।