কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের পর থেকে দেশ জুড়ে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে বলেই একাধিক বার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং রাজ্যের জঙ্গি দমনকারী বাহিনীগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে দু’দিনের বৈঠক ডাকা হল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর তত্ত্বাবধানে দিল্লিতে ওই বৈঠক হবে আগামী ১৪-১৫ অক্টোবর।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্রের দাবি, অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রত্যাহারের বদলা নিতে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ ও হিজবুল মুজাহিদিনকে ছোট ছোট মডিউলে বিভক্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামলা চালাতে নির্দেশ দিয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। স্বরাষ্ট্র ও সেনা গোয়েন্দাদের মতে, এই মুহূর্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তত পাঁচশো জঙ্গি ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে। এদের লক্ষ্য, বরফ পড়ার আগে এ দেশে ঢোকা। 

গোয়েন্দাদের মতে, উত্তর ভারতের বিভিন্ন সেনা ঘাঁটি, পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের নৌ-ঘাঁটি ওই জঙ্গিদের সম্ভাব্য হামলার তালিকায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও রাজ্যের জঙ্গি দমনকারী বাহিনীগুলির মধ্যে কী ভাবে দ্রুত তথ্য আদানপ্রদান করা সম্ভব, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্র জানিয়েছে, জঙ্গিরা কী ভাবে ড্রোনের মাধ্যমে বা সমুদ্রের তলা দিয়ে ‘ডিপ সি ডাইভিং’ করে হামলা চালাতে পারে তা নিয়েও কথাবার্তা হবে। দু’দিনের বৈঠকে প্রথম দিন বলবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দ্বিতীয় দিনে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।