দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন ২০২২ সালের মধ্যে গুজরাতের সুরাত থেকে বিলিমোরায় দৌড় শুরু করতে চলেছে।  

২০১৭ সালের অক্টোবরেই  গুজরাতের সবরমতী স্টেশন থেকে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে মুম্বই অামদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে। ২০২৩ সালের মধ্যে দ্রুত গতির বুলেটের ৫০৮ কিলোমিটারের প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা।

২০২২ সালের মাঝামাঝিই শেষ হবে কাজ। কারণ, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি ২০২২ সালে। সে বছরের ১৫ অগস্টই বুলেট ট্রেনের উদ্বোধন করার কথা ভেবেছে এনডিএ সরকার। ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন সূত্রে খবর, ২০২২ সালের অগস্টের মাঝামাঝিই কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। আর সুরাত থেকে বিলিমোরা লাইনটায় নির্মাণ কাজ তুলনামূলক তাড়াতাড়ি হওয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন: দলিত কিশোরীকে জোর করে মদ খাইয়ে গণধর্ষণ গ্রেটার নয়ডায়

বুলেট ট্রেন প্রকল্পে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা জাপানের ওই প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করবেন ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে।এই প্রকল্পের জন্য ভারতকে ৮৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ হিসাবে দিচ্ছে জাপান। অত্যন্ত কম সুদে, মাত্র ০.১ শতাংশ হারে। প্রকল্পের জন্য জাপান থেকে অন্তত ১০০ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং বিশেষজ্ঞ ভারতে চলে এসেছেন ২০১৭ সালের শেষেই। 

বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় হাই স্পিড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট তৈরি হচ্ছে ভদোদরায়। এটি তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, জাপানের দ্রুত গতির বুলেট ট্রেন শিনকানসেন প্রযুক্তি শিখতে টানা প্রশিক্ষণ চলার কথা। ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রায় ৩৫,০০ জন কর্মী প্রয়োজন হবে এই ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন: এই ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়, শেষটা জানলে আপনি চমকে যাবেন!​

১৫০০ জন ভারতীয় জাপানে অল্প সময়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন। আর ৬০ জন জাপানে রয়েছেন প্রশিক্ষণের জন্য। হাই স্পিড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে থাকছে ১৬৬টি ঘর ও ৩৩৪টি বিছানা। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই পাঁচ তলা ইনস্টিটিউটের দুটি তলের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে, এমনটাই ভদোদরার চিফ প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রদীপ আহিরকর।

প্রতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার বেগে চলে এই শিনকানসেন। পাঁচ দশক পেরিয়েও জাপানে কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি এই ট্রেনে।

 

রাজনীতি, অর্থনীতি, ক্রাইম - দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে দেশ বিভাগে ক্লিক করুন।