বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়নি মেয়েটি। এই ‘অপরাধের’ শাস্তি হিসাবে ওই নাবালিকার গায়ে আগুন লাগিয়ে দিয়ে দিল এক যুবক। কেরলের এর্নাকুলাম অঞ্চলের ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকালেই মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে অভিযুক্ত যুবকেরও।

পুলিশ সূত্রে খবর, মিধুন নামক এক যুবক ওই নাবালিকা পারিবারিক আত্মীয়। দীর্ঘদিন ধরে সে উত্যক্ত করছিল ১৭ বছর বয়সি মেয়েটিকে। তাকে বিয়ে করার জন্য মেয়েটিকে এবং তার  পরিবারকে চাপ দিতে থাকে। কিন্তু মেয়েটির পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, মেয়েটির বয়স কম। সে প্রাপ্তবয়স্ক না হলে বিয়ের কথা ভাবার প্রশ্নই নেই। অভিযোগ, এর পরেও ওই নাবালিকা এবং তার পরিবারকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে মিধুন।

এদিন ভোরবেলায় মেয়েটির বাড়িতে পৌঁছে যায় ওই যুবক। মেয়েটির বাবা তাকে আটকানোর চেষ্টা করলেও কাজ হয়নি। অভিযোগ, ওই নাবালিকা বেরিয়ে আসতেই তার দিকে কোনও দাহ্য পদার্থ ছুড়ে মারে সে। তারপর তার গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। মেয়েকে পুড়ে যেতে দেখে বাঁচাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন মেয়েটির বাবাও। ধস্তধস্তিতে আগুন লেগে যায় মিধুনের গায়েও।

আরও পড়ুন:কাশ্মীর-ছায়ায় কি ঢাকবে মমল্লপুরম?
আরও পড়ুন:প্রতিবাদের ঝড়, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা গুটোচ্ছে পুলিশ

হইচইয়ে ছুটে আসে প্রতিবেশীরা। ওই নাবালিকাকে এর্নাকুলাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে, তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মারা যায় মিধুনও। মেয়েটির বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।