রাজধানীর বুকে বিরোধী সমাবেশের ‘যুদ্ধে’র দ্বিতীয় প‌র্বের শুরুটা আগামিকাল, বুধবার। তবে নয়াদিল্লিতে পা রাখার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তথা বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিরোধী জোটের অন্যতম প্রধান মুখ তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি জানালেন, দেশকে রক্ষা করতে কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদী তথা বিজেপি সরকারকে সরাতে চান তাঁরা। কারণ, তাঁর কথায়: “গণতন্ত্র বাঁচাতে আমরা ক্ষমতায় নতুন মুখ দেখতে চাই।”

এ জন্য পনেরো দিনের মধ্যেই নির্বাচনের বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করবে বিরোধী জোট। মমতার কথায়: “নরেন্দ্র মোদী নিজেও জানেন, তিনি আর ক্ষমতায় ফিরে আসবেন না। তাঁর মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে।” মমতার দাবি, “দেশ বদল চায়, দেশ চায় অখণ্ড ভারত। এবং তার জন্য গণতন্ত্র বজায় থাকুক, এটাই চাই আমরা।”

কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদীকে হঠাতে স্লোগানও ঠিক করে ফেলেছেন মমতা। তাঁর মতে, ধ্বংসের মুখ থেকে দেশকে বাঁচাতে এবং অখণ্ড ভারত বজায় রাখতে তাঁদের এই পথে এগোতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘বিজেপি কি ভয় পেয়েছে?’ লখনউ বিমানবন্দরে বাধা পেয়ে প্রশ্ন অখিলেশের

 

এ দিন শুধু নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধেই সমালোচনায় সরব হননি মমতা। সরব হয়েছেন উত্তরপ্রদেশের লখনউতে অখিলেশ যাদবকে আটক করার প্রসঙ্গ নিয়েও। সমাজবাদী পার্টির প্রধান তথা ওই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ইলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রয়াগরাজে যাওয়ার আগেই লখনউয়ে চৌধুরি চরণ সিংহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। যা নিয়ে ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের তীব্র নিন্দা করেন মমতা। তাঁর কথায়, “নরেন্দ্র মোদী বা তাঁর দলের সভাপতি অমিত শাহ অন্য রাজ্যে গিয়ে গণতন্ত্রের কথা বলেন। আর একটা ইলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন না রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কারণ, আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হবে। আজ দেশে কোথায় যাওয়ার জায়গা নেই। আর এঁরা আমাদের বড় বড় কথা বলেন। এঁরা দেশে হিংসার রাজনীতি করেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। আমি এর তীব্র নিন্দা করছি।”

আরও পড়ুন: মাঙ্কি ক্যাপে মুখ লুকিয়ে কে ঢুকলেন শিলংয়ের সিবিআই দফতরে?