আর মাত্র দু’দিন। ইতিহাসের খাতায় নাম তুলতে চলেছেন তিন কন্যা। দেশে যুদ্ধবিমানের প্রথম মহিলা পাইলট হিসাবে উড়বেন তাঁরা। ১৮ জুন সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে দেশ।

অবনি চতুর্বেদী, ভাবনা কাঁথ আর মোহনা সিংহ— ভারতের তিন রাজ্যের তিন কন্যা ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন উড়ানের। স্বপ্ন দেখতেন শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষার। এই স্বপ্নই লক্ষ্যে পৌঁছে দিল তাঁদের।

এয়ারফোর্সের পাইলট হওয়াটা চাট্টিখানি কথা নয়। রাস্তাটা মোটেই সহজ ছিল না। পুরুষদের মতোই সম-শ্রমের শারীরিক এবং মানসিক, দু’রকম প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁদের। তবে এখনই শত্রু সীমানার উপর দিয়ে যুদ্ধবিমান উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছেন না তাঁরা। এয়ার চিফ মার্শাল অরূপ রাহা জানিয়েছেন, তাঁদের কাজ হবে কমব্যাট এয়ার পেট্রোলিং এবং দেশের সীমান্তে শত্রুর আগমন রোধ করা।

কারা এই তিন কন্যা?

ভাবনা বিহারের দ্বারভাঙার বাসিন্দা। বেঙ্গালুরু থেকে মেডিক্যাল ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। মধ্যপ্রদেশের মেয়ে অবনি কম্পিউটার সায়েন্স-এ স্নাতক। তাঁদের দু’জনেরই বাবা ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের মধ্যে রাজস্থানের মোহনাই একমাত্র ছোটবেলা থেকে বায়ুসেনা পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা বায়ুসেনায় কর্মরত। ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে স্নাতক হয়েছেন মোহনাও।

ফাইটার প্লেনের পাইলট হিসাবে মহিলা নিযুক্তি বিল পাশ করার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এয়ার চিফ মার্শাল অরূপ রাহা। গত বছরের অক্টোবরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রীকর প্রথম বায়ুসেনায় মহিলা পাইলট নিযুক্ত করার প্রস্তাব দেন।