বিমান দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে মেনে নিয়েও যাবতীয় রহস্যের সমাধানের জন্য জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা ‘নেতাজির চিতাভস্মের’ ডিএনএ পরীক্ষা করানোর জন্য নরেন্দ্র মোদীকে অনুরোধ করলেন নেতাজি-কন্যা অনিতা বসু পাফ। তিনি নিজে মোদী এবং জাপান সরকারের সঙ্গে দেখা করতে চান বলেও জানান অনিতা। 

জার্মানি থেকে পিটিআই-কে টেলিফোনে সাক্ষাৎকার দেন অনিতা। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, পূর্বতন সরকার কি ইচ্ছে করেই  জিইয়ে রেখেছিল এই রহস্য? অনিতা জানান, এ নিয়ে তাঁর কাছে প্রমাণ নেই। তবে তিনি মনে করেন, পূর্বতন সরকারের কয়েক জন কখনও চাননি রহস্যের সমাধান হোক। ১৮ অগস্ট নেতাজির ‘মৃত্যুবার্ষিকী’ নিয়ে পিআইবি-র টুইটে নয়া বিতর্ক তৈরি হয়। নেতাজির নাতি তথা বিজেপি নেতা চন্দ্রকুমার বসু এই টুইটের বিরোধিতা করেন। অন্য দিকে নেতাজির আর এক নাতি তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সুগত বসু বলেছেন, ‘‘ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উচিত জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে কথা বলে সসম্মানে নেতাজির চিতাভস্ম ভারতে আনা।’’

সুগতবাবুর মতে, অহেতুক রহস্য জিইয়ে রাখার জন্যেই নেতাজিকে নিয়ে নানা কাহিনি বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।  কিছু উগ্র দক্ষিণপন্থী গুমনামি বাবাকে নেতাজি বলে চালানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর কথায়, ‘‘ডিএনএ পরীক্ষায় আমাদের কারও আপত্তি নেই। তবে শেষকৃত্য হয়ে যাওয়ার পরে ডিএনএ বার করা সাধারণত অসম্ভব। কারণ উচ্চ তাপমাত্রায় ডিএনএ নষ্ট হয়ে যায়। যদি কোনও ভাবে ডিএনএ বার করা যায়, তাতে কোনও আপত্তি নেই।’’