মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় ভোট শুরু হয়েছে ঢিমেতালে। বেলা এগারোটা নাগাদ এক লাইনের একটি টুইট করলেন রাহুল গাঁধী। বিজেপির এক জনের সততার দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে। লিখলেন, ‘‘বিজেপিতে সব থেকে সৎ ব্যক্তি।’’

কার সম্পর্কে বললেন এ কথা? সঙ্গে একটি ভিডিয়োও জুড়ে দিয়েছেন রাহুল। হরিয়ানায় বিজেপির এক প্রার্থী বকশিশ সিংহের। যেটি গত কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির এই নেতাকে একটি ছোট জমায়েতে বেশ রসিয়ে গল্পের ছলে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘যেখানেই ভোট দেবেন, আমরা জেনে যাব কাকে দিয়েছেন। ভাববেন না, আমরা জানতে পারব না। কিন্তু বলব না। নরেন্দ্র মোদী, মনোহরলাল খট্টর বুদ্ধিমান। আপনারা যাঁকে খুশি ভোট করুন, ভোট যাবে ফুলেই। যে বোতামই টিপুন, ভোট যাবে বিজেপিতে। ইভিএমে আমরা একটি যন্ত্র লাগিয়েছি।’’

বিজেপি নেতাটি যা বলছেন, ঠিক এই অভিযোগই গত লোকসভা ভোটের আগে করতেন বিরোধী দলের নেতারা। ভোটযন্ত্র বা ইভিএমে কারচুপি। কিন্তু সেই সময়ও বিজেপি বলত, হার হবে বুঝেই আগাম ইভিএমে কারচুপির গল্প ফাঁদছে বিরোধীরা। আজ দুই রাজ্যে যখন বিধানসভা নির্বাচন চলছে, তারই মধ্যে রাহুলের ওই টুইটের পরেও বিজেপি একই কথা বলছে। তাদের পাল্টা অভিযোগ, জাল ভিডিয়ো দিয়ে ভোটে জিতে চাইছেন রাহুল।  

বিজেপির বক্তব্য, ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসার পরেই দিল্লি থেকে চণ্ডীগড়ে নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বড় কর্তাকে পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। বিজেপির ওই নেতাটিকে কারণ-দর্শাও নোটিসও পাঠানো হয়। যার জবাবে বকশিশ সিংহ বলেন, ‘‘এই ভিডিয়োটি ভুয়ো।’’ রাহুল নতুন করে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তোলায় হরিয়ানায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক অনুরাগ আগরওয়াল ফের বলেন, ‘‘ইভিএমে কোনও কারচুপিই সম্ভব নয়। বিজেপি নেতা বলেছেন, ভুয়ো ভিডিয়ো। তার তদন্ত করছে কমিশন।’’