ঝাড়খণ্ডের সন্তোষী কুমারী বা রূপলাল মারান্ডির মৃত্যু অনাহারে হয়েছে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। কিন্তু ডিজিটাল রেশনিং ব্যবস্থার গড়বড়ে যে তাঁদের পরিবার কয়েক মাস রেশন পাননি, এই বিষয়ে কোনও বিতর্ক নেই। আর এর প্রেক্ষিতেই চলতি সপ্তাহে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত রাজ্য সরকারকে এক বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে, আধার বা বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা
কাজ করুক বা না করুক, রেশন কার্ডের ভিত্তিতে বরাদ্দ পণ্য দিতেই হবে। কোনও অবস্থাতেই তা বন্ধ করা যাবে না।

খাদ্য মন্ত্রকের এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সন্দেহাতীত ভাবে যদি প্রমাণিত হয় যে রেশন গ্রহীতা ভুয়ো, তবেই সংশ্লিষ্ট তথ্য-ভাণ্ডার থেকে তার নাম বাদ দেওয়া যাবে। রেশন বন্ধ করা যাবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কারও আধার না থাকে বা আধার সংযোগ কাজ না করে কিংবা বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা গোলমাল করে তবে তা আলাদা ভাবে নথিভুক্ত করে রেশন দিতে হবে। পরে ডিজিটাল ব্যবস্থার গন্ডগোল সমাধান করা বা যাঁদের আধার নেই তাঁদের আধার করানোর দায়িত্বও সরকারের ঘাড়েই বর্তেছে। খাদ্য মন্ত্রকের বক্তব্য, এ ক্ষেত্রে রেশন গ্রহীতার কোনও ভূমিকাই নেই। কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তের কথা একেবারে নীচের স্তরে, রেশন ডিলারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিলারদের লাইসেন্সও কেড়ে নেওয়া হতে পারে বলে খাদ্য মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে।