ত্রিপুরায় ধর্ষণের অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিধায়কের বিরুদ্ধে। সরকারের শরিক আইপিএফটির বিধায়ক ধনঞ্জয় ত্রিপুরার বিরুদ্ধে অভিযোগ, এক যুবতীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের পরে এখন আর তাঁকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছেন না। ওই যুবতী রবিবার পশ্চিম জেলার মান্দাই থানায় এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনার সময়ে ধনঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। বছর দুই আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ভাড়া বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করে ধনঞ্জয়। প্রতিশ্রুতি মতো ২০১৭ সালে ধনঞ্জয়ের বাড়ির লোকজন ওই যুবতীর পিসেমশাইয়ের বাড়ি গিয়ে বিয়ের মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানও সেরে আসেন। বলে আসেন, শীঘ্রই বিয়ের দিন স্থির করা হবে। ধনঞ্জয়ও ফোনে জানান, রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পরে বিয়ে করবেন। কিন্তু  রাইমাভ্যালির কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হওয়ার পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন ধনঞ্জয়।

বিষয়টি মেটাতে আইপিএফটি-র সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী নরেন্দ্রচন্দ্র দেববর্মার বাড়িতে দু’দফা বৈঠক হয় দু’পক্ষের। বিয়ের কথা দিয়েও কথার খেলাপ করেন ধনঞ্জয়। মন্ত্রী নরেন্দ্রচন্দ্র এর পর হাল ছেড়ে দেন। এর পরেই থানায় মামলা করেন ওই যুবতী।

জিরানিয়া মহকুমার পুলিশ আধিকারিক সুমন মজুমদার জানান, ঘটনাটি আগরতলার বলে দাবি। মামলা সেখানেই পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হয়েছে। আইপিএফটি সভাপতি নরেন্দ্রচন্দ্র তাঁর বাড়িতে বৈঠকের কথা স্বীকার করে নিয়ে ফোনে বলেন, ‘‘ঘটনাটি সত্যি। তবে ওই বিধায়ক কেন বেঁকে বসেছেন, কিছুই বলতে পারছি না।