ভবিষ্যতের যুদ্ধ আরও রক্তক্ষয়ী ও অনিশ্চিত হবে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়ত। তাঁর মতে, ২০১৬ ও ২০১৯ সালে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অভিযান বুঝিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার দৃঢ়তা দিল্লির আছে। ৬ জুলাই লাদাখের ডেমচকে চিনা সেনা অনুপ্রবেশ করেনি বলেও দাবি করেছেন তিনি।

আজ দিল্লিতে কার্গিল যুদ্ধের ২০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘‘প্রথাগত যুদ্ধের বাইরের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলার জন্য আমরা জাতীয় স্তরে সুসংহত নীতি তৈরি করছি। উরি এবং বালাকোটের সার্জিকাল স্ট্রাইক প্রমাণ করেছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যে কোনও পদক্ষেপ করার রাজনৈতিক দৃঢ়তা আমাদের আছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘জঙ্গি হামলা বা পাক সেনার যে কোনও বাড়াবাড়ির কড়া জবাব দেওয়া হবে।’’

লাদাখে ফের চিনা অনুপ্রবেশের খবর নিয়ে সম্প্রতি হইচই শুরু হয়েছে। লাদাখ স্বায়ত্ত্বশাসিত পার্বত্য পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াল ওয়াংগিয়ালের দাবি, ‘‘৬ জুলাই ডেমচকের কোয়ুল গ্রামে দলাই লামার জন্মদিন পালন করছিলেন কয়েক জন তিব্বতি শরণার্থী। সেই সময়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ১১ জন চিনা সেনা সাদা পোশাকে কোয়ুল গ্রামে আসেন।’’ গিয়ালের দাবি, দলাইয়ের জন্মদিন পালনে বাধা দেওয়া হয়। চিনারা ওই এলাকা নিজেদের বলে দাবি করেন। কিন্তু সেনাপ্রধানের দাবি, চিনারা আদৌ অনুপ্রবেশ করেননি। তাঁর বক্তব্য, ‘‘দলাই লামার জন্মদিন পালনের সময়ে কয়েক জন চিনা সেনা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে এসেছিলেন। আমাদের ধারণা, তিব্বতি শরণার্থীরা কোন উৎসব উদ্‌যাপন করছেন তা চিনা সেনারা দেখতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁরা অনুপ্রবেশ করেননি।’’