তখন বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে খিদে মেটাতে হয় ওই আধিকারিকদের। এবং সে ক্ষেত্রে পিৎজ়াই বেশি প্রাধান্য পায়। নিজেদের জায়গায় বসে কাজ করতে করতেই পিৎজ়া খান পেন্টাগনের আধিকারিকের। তাই পেন্টাগনে পিৎজ়া অর্ডারের সংখ্যা অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেলে অনেকেই ধরে নেন, বড় কিছু ঘটতে চলেছে। পিৎজ়াই হয়ে ওঠে সঙ্কটের সঙ্কেত।
পেন্টাগন থেকে প্রচুর পরিমাণ পিৎজ়ার অর্ডার আসা যে বড় কোনও ঘটনার ইঙ্গিত, তা মনে করেন ওয়াশিংটনের পিৎজ়া দোকানগুলির মালিক এবং কর্মীরাও। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এক পিৎজ়া সরবরাহকারী ১৯৯০ সালের অগস্টে বলেছিলেন, ‘‘আমরা জানি বিষয়টা। পানামা হামলার আগের রাতে পেন্টাগন থেকে আসা পিৎজ়ার অর্ডার দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। গ্রানাডা আক্রমণের আগেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আমরা অনেক অর্ডার পেয়েছিলাম। মধ্যরাত থেকে অর্ডার আসা শুরু হয়। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম কিছু একটা ঘটতে চলেছে।’’
এর পরেই সক্রিয় হয় ‘পেন্টাগন পিৎজ়া সূচক’। দেখা যায়, ওই ঘটনার পর থেকে ওয়াশিংটনের পাপা জন’স, ফ্রেডিজ় বিচ বার, ডোমিনো’জ় পিৎজ়া, ডিস্ট্রিক্ট পিৎজ়া প্যালেস এবং ক্রিস্টাল সিটি স্পোর্টস পাবের মতো দোকানগুলিতে পিৎজ়ার অর্ডার বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্ডার আসছে আমেরিকার সামরিক সদর দফতর পেন্টাগন বা তার কাছেপিঠের এলাকা থেকে।
ষড়যন্ত্র তত্ত্ববাদীদের একাংশের মতে, পেন্টাগন এবং আশপাশের এলাকায় পিৎজ়ার অর্ডার বৃদ্ধির অর্থ আমেরিকা নিশ্চয়ই বড় কোনও পরিকল্পনা করছে। ইরানের উপর মার্কিন হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা। ‘পেন্টাগন পিৎজ়া সূচক’-এ বিশ্বাসী এক নেটাগরিক সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘পেন্টাগনে পিৎজ়া অর্ডার বাড়ছে। এটি আসন্ন যুদ্ধের স্পষ্ট সতর্কতা। এ বার কি তবে ইরান?’’
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy