‘পরান্ঠেওয়ালি গলি’র জিভে জল আনা রাজমা গলৌটি কাবাবের রহস্যভেদ!

রাহুল অরোরা (শেফ, পরান্ঠেওয়ালি গলি ও বন অ্যাপেটাইট)
‘পরান্ঠেওয়ালি গলি’র জিভে জল আনা রাজমা গলৌটি কাবাবের রহস্যভেদ!

রঙের মরসুমে মনেও দোলা লাগুক! রান্নাঘরই বা বাদ যায় কেন? অনেকের ঘরেই অতিথি আগমন লেগেই থাকে। তাই এমন কিছু রান্না করতেই পারেন, যা রোজের একঘেয়ে রান্নাগুলোর চেয়ে আলাদা আবার কেতেও জবরদস্ত।

সকলে মিলে সে দিন বিকেলটা বাইরে খাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তা মন্দ নয়, কিন্তু যত ক্ষণ বাড়িতে আছেন, টুকটাক খাবারে মুখ চলতে বাধা কোথায়? তাই টুকিটাকি স্ন্যাক্সের কোনও রেসিপি যদি চলে আসে হাতের মুঠোয়, তা হলে তো কথাই নেই!

দেখে নিন এমনই রেসিপি, যা দোলের দিন আপনার স্বাদে তুফান তুলবে।

রাজমা গলৌটি কাবাব: মোঘল আমলের এই খাবারে যোগ হয়েছে একটু ফিউশন। মাংস না দিয়ে রাজমা দিয়েও এই উপাদেয় কাবাব বানানো যায়, জানতেন? দেখে নিন কী ভাবে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলা যাবে এই পদ।

আরও পড়ুন: ট্রাফিক গ্যাস্ট্রোপাবের সেরা রেসিপি পালস চিকেন টিক্কা, এ ভাবে বানান শেফরা!

উপকরণ

রাজমা: ১ কাপ

পেঁয়াজ: ২ টি বড় কুচনো

টম্যাটো পিউরি: ১/৪ কাপ

কাঁচা লঙ্কা: ২ টি কাটা

গ্রেটেড আদা: ১/২ চা চামচ

নুন: স্বাদ মতো

মরিচ: স্বাদ মতো

গরম মশলা: ২ চা চামচ

ছাতু: ২ চা চামচ

ব্রাউন ব্রেড এর টুকরো: ২ টেবিল চামচ

অলিভ অয়েল: ১ চা চামচ + ১ চা চামচ

ধনের বীজ: ১/২ চা চামচ

আরও পড়ুন: তেলেভাজা কে না ভালবাসে! আর তা যদি হয় মাছের ফুলুরি?

প্রণালী

আভেনে পাত্র বসিয়ে তাতে অলিভ অয়েল দিয়ে সেটি গরম করে, তারপর তাতে ধনের বীজ গুলো দিয়ে দিন। এর পর পিঁয়াজ, আদা ও কাঁচা লঙ্কা কুচি দিয়ে সেগুলো ভাল করে ভাজতে থাকুন, যত ক্ষণ না সেগুলো সোনালি হয়ে যায়। এ বার এটির মধ্যে টম্যাটো পিউরি দিয়ে দিন ও কষতে থাকুন। ভাল করেটা কষানো হলে এতে গরম মশলা দিন।

এর পর সেদ্ধ রাজমা ভাল করে ম্যাপ করে তার মধ্যে মশলা, ছাতু ও ব্রাউন ব্রেড দিয়ে একসঙ্গে রাখুন। এর পর কাবাব এর আকারে তৈরি করে নন স্টিক প্যানে গ্রিল করে নিন।