অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়ে গেল আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের অভিযান। কিন্তু বৃহস্পতিবারের সেই ম্যাচের শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি ভারতের। টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ার পর হাল ধরেন অজিঙ্ক রাহানে। সেঞ্চুরি ফস্কালেও তাঁর ৮১ রানের জন্য দিনের শেষে কিছুটা সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছেছে ভারত।

টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ইনিংসের শুরুতেই পর পর তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে ভারতীয় দল। মাত্র ৯ রান করে ফেরেন ওয়ানডে সিরিজে দুরন্ত ছন্দে থাকা অধিনায়ক কোহালিও। এই অবস্থায় মাঠে নামেন ভারতীয় টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক রাহানে।

শুরু হয় ভারতীয় ইনিংস মেরামতের কাজ। ভাল শুরু করেও লাঞ্চের পর রস্টন চেজের বলে ফ্লিক করতে গিয়ে ক্যারিবিয়ান উইকেটরক্ষকের দস্তানায় ধরা দেন লোকেশ রাহুল। ব্যক্তিগত ৪৪ রানে ফেরেন তিনি। এরপর হনুমা বিহারিকে নিয়ে চলে ইনিংস গড়ার কাজ। বিশ্বকাপে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন রাহানে। সেই নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। তার উপর শেষ দু’ বছরে একটাও শতরান বেরোয়নি মুম্বইকরের ব্যাট থেকে। প্রশ্ন ওঠে তাঁর টেস্ট দলে নির্বাচন নিয়েও। এই অবস্থায় ৮১ রানের মূল্যবান ইনিংসটি খেলেন তিনি।

দিনের শেষে শতরান হাতছাড়া করে তিনি হতাশ কিনা জানতে চাওয় হলে রাহানে বলেন, “আমি দলের হয়ে খেলি। যত ক্ষণ ক্রিজে থাকি তত ক্ষণ দলের কথাই ভাবি। মাইলস্টোনের প্রতি বেশি আগ্রহ আমার কোনও দিনই ছিল না, আজও নেই।’’

বিশ্বকাপ চলাকালীন দলে না থাকলেও বিলেতের মাটিতেই ছিলেন রাহানে। খেলছিলেন কাউন্টি ক্রিকেট। হ্যাম্পশায়ারের হয়ে প্রথম ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকান রাহানে। কাউন্টি খেলা তাঁর পক্ষে কতটা লাভদায়ক হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ আমি বিশ্বকাপের সময়টা নষ্ট না করে সেটাকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। ইংল্যান্ডে থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। মেঘলা আকাশে ডিউক বল সুইং করে। তখন তাকে সম্মান জানানো উচিত। ইংল্যান্ডে খেলার ফলে আমার ধৈর্য আরও উন্নত হয়েছে। সুতরাং বিলেতে কাটানো দু’ মাস আমার কাছে লাভদায়কই ছিল।”