কোপা আমেরিকায় দুরন্ত শুরু করলেন লুইস সুয়ারেসরা। রবিবার রাতে দশ জনের ইকুয়েডরকে বিধ্বস্ত করল উরুগুয়ে। 

উরুগুয়ের হয়ে নিকোলাস লোডিয়োর প্রথম গোল করার পরেই লালকার্ড দেখে বেরিয়ে যান ইকুয়েডরের হোসে কুইনটোর। তাঁর হাতে বল লেগেছিল। দশ জন হয়ে যাওয়ার আর আর কোনও বাধা ছিল না অস্কার তাবারেজের দলের। বিরতির আগেই আরও দু’গোল করেন লুইস সুয়ারেস এবং এদিনসন কাভানি। দ্বিতীয়ার্ধে আত্মঘাতী গোলে ইকুয়েডরকে ডোবান আরতুরো মিনা। 

প্রথম ম্যাচে চমকপ্রদ জয় পেলেও কোপার শক্ত গ্রুপে পড়েছে উরুগুয়ে। তাদের এর পর খেলতে হবে দু’বারের চ্যাম্পিয়ন চিলে এবং জাপানের সঙ্গে। সেটা মনে রেখেও উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ বলে দিয়েছেন, ‘‘আমার ছেলেদের উপর অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। জানি, ওরা নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেবে।’’ তাঁর বিশ্বাসের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে মন্তব্য, ‘‘যেমন সুয়ারেস। দীর্ঘ চোট সারিয়ে ও প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছে। কয়েকদিন মাত্র অনুশীলন করেছে। একই রকম অবস্থা আমার গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার কাভানির ক্ষেত্রেও খাটে। লিগে মাত্র একটা ম্যাচ খেলে মাঠে নেমেছিল ও। ক্রিশ্টিয়ান স্টুয়ানি, জোনাথন রদরিগেজ—দু’জনেরই সমস্যা ছিল। তবুও আমরা জিতেছি।’’ উরুগুয়ে যথেষ্ট শক্তিশালী দল নিয়ে নেমেছিল মাঠে। তবুও আশা করা গিয়েছিল ইকুয়েডর প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে। কিন্তু শুরুতেই দশ জন হয়ে যাওয়ায় পর অস্কার তাবারেজের দলের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো ক্ষমতা ছিল না তাদের। তবে ব্রাজিলের রেফারি অ্যান্ডারসন ডারেনকো প্রথমে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন কুইনটোকে। কিন্তু উরুগুয়ে অভিযোগ তোলায় পরে ‘ভার’-এর সাহায্য নিয়ে লালকার্ড দেখান ইকুয়েডোরের ডিফেন্ডারকে।

লালকার্ড দেখার ধাক্কা সামলাতে পারেনি ইকুয়েডর। বিরতির আগেই ৩-০ হয়ে যায় ম্যাচ। ‘‘এই জয় আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা জয়টা চাইছিলামও,’’ বলে দিয়েছেন উরুগুয়ের কোচ। এই ম্যাচে আরও বেশি গোলে জিততে পারত তাবারেজের দল। দু’টো সহজ সুযোগ নষ্ট করেন প্যারিস সাঁ জারমাঁর ফরোয়ার্ড কাভানি। তাঁর একটি শট লেগেছিল ইকুয়েডরের এক ডিফেন্ডারের হাতে। কিন্তু সেটা পেনাল্টি দেননি রেফারি।