কয়েক বছর ধরেই তাঁকে নেওয়ার জন্য মরিয়া রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু তিনি, এডেন অ্যাজার রাজি হননি চেলসি ছাড়তে। অবশেষে মত বদলালেন বেলজিয়াম অধিনায়ক।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান দখলের পরে রবিবারই বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ফিরেছেন ফুটবলারেরা। বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দেশে ফিরে নায়কের সম্মান পেলেন তাঁরা। পুরো দলকে নিজের প্রাসাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বেলজিয়ামের ফিলিপ ও রানি ম্যাথিলদ। রাজপ্রাসাদের বাইরে তখন জনসমুদ্র।

উৎসবের আবহেই চেলসি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অ্যাজার। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, ‘‘আপনারা জানেন আমি কোথায় খেলতে চাই। তবে প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকে। সেটা স্পেনের কোনও ক্লাবে সই করা হোক বা চেলসিতে থেকে যাওয়া।’’ একই সঙ্গে অ্যাজার দাবি করলেন, চেলসি ছাড়ার ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেছেন, ‘‘চেলসিতেই থাকব কি না, তা নিয়ে এখনও কিছু ঠিক করিনি। তবে চেলসি আমাকে ছাড়বে কি না, সেই সিদ্ধান্ত ওদেরই নিতে হবে।’’ আটচল্লিশ ঘণ্টা আগেই আন্তোনিয়ো কন্তেকে বরখাস্ত করে মারিজ়িয়ো সাররিকে দায়িত্ব দিয়েছেন চেলসি কর্তারা। শনিবারই তিনি সরকারি ভাবে চেলসি ম্যানেজারের দায়িত্ব নেন। আর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই দলের সেরা অস্ত্র ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সমর্থকেরা হতাশ।

গত বছর মরসুমের শুরুতেই অ্যাজারকে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল রিয়াল। কিন্তু তিনি চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ায় শেষ মুহূর্তে সরে আসেন রিয়াল কর্তারা। স্পেনের সংবাদমাধ্যমের দাবি, এ বার রিয়ালের প্রথম পছন্দ ছিল নেমার দা সিলভা স্যান্টোস (জুনিয়র)। মনে করা হচ্ছিল, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ক্লাব ছাড়ার ফলে যে আর্থিক ক্ষতি হবে, তা নেমারকে এনেই সামলানোর পরিকল্পনা ছিল রিয়াল কর্তাদের। কিন্তু গত চব্বিশ ঘণ্টায় নাটকীয় ভাবে ছবিটা বদলে গিয়েছে। রিয়ালের তরফে সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, নেমারকে নিয়ে তাদের কোনও আগ্রহ নেই। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘রিয়াল মাদ্রিদের তরফে নেমারকে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। তা ছাড়া প্যারিস সাঁ জারমাঁর সঙ্গে আমাদের দুর্দান্ত সম্পর্ক। আমরা যদি কোনও ফুটবলার নিয়ে চাই, তা হলে সবার আগে পিএসজির সঙ্গে যোগাযোগ করব।’’