ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণের অন্যতম প্রধান ভরসা ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপে য়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান, ডেনিস বার্গক্যাম্পের মতো স্ট্রাইকারদের আটকেছেন সফল ভাবে। সেই ইগর স্তিমাচের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে ভারতীয় দলের রক্ষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায়।

আন্তর্মহাদেশীয় কাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আজ, মঙ্গলবার ভারতের প্রতিপক্ষ সিরিয়া। যারা উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে ৫-২ উড়িয়ে প্রতিযোগিতায় অভিযান শুরু করেছিল। অথচ সেই সিরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারকে পাচ্ছেন না স্তিমাচ! আন্তর্মহাদেশীয় কাপে সন্দেশ ঝিঙ্ঘান ও আদিল খানকে রক্ষণে রেখেই দল সাজিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ। মঙ্গলবার সিরিয়ার বিরুদ্ধে দু’জনই নেই। সন্দেশের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট। তাঁর খেলার সম্ভাবনা কার্যত নেই। কার্ড সমস্যায় নেই আদিল। অবসর ভেঙে ফেরা আনাস এদাথোডিকা-কে ২৩ জনের দলেই রাখা হয়নি।

রক্ষণে তা-হলে খেলবেন কারা? ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলের খবর, দুই সাইডব্যাক রাহুল ভেকে ও শুভাশিস বসুকে স্টপার হিসেবে খেলাতে পারেন স্তিমাচ। পরিবর্ত হিসেবে নামতে পারেন ইন্ডিয়ান অ্যারোজ থেকে আসা নরেন্দ্র গেহলট। ভাঙা রক্ষণ নিয়ে কি সিরিয়াকে আটকানো সম্ভব? ২৩ জনের দলে না থাকলেও আশাবাদী আনাস বলেছেন, ‘‘কোচ প্রত্যেক ফুটবলারের সঙ্গে আলাদা ভাবে কথা বলছেন। কার কী ভুলত্রুটি হয়েছে তা খুঁজে বার করছে শুধরে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।’’

রক্ষণের ভুলে দু’ম্যাচে ন’গোল খাওয়ার পরে ফুটবলারদের কাঠগড়ায় তুলেছিলেন স্তিমাচ। আনাস বলছেন, ‘‘ফুটবল দলগত খেলা। দল সফল হলে যেমন সকলকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়, ব্যর্থতার দায়ও সবার।’’ তিনি যোগ করেছেন, ‘‘গত দু’ম্যাচে এমন কয়েকটা গোল খেয়েছি, যা এড়ানো যেত। আশা করছি, সিরিয়ার বিরুদ্ধে ফুটবলারেরা নিজেদের উজাড় করে দেবে।’’