• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বেঙ্গালুরুতে সিরিজ ১-১ করল প্রোটিয়ারা, দুরন্ত ইনিংস ডি ককের

De Kock
আক্রমণাত্মক কুইন্টন ডি কক। রবিবার বেঙ্গালুরুতে। ছবি: এপি।

Advertisement

সিরিজে সমতা ফেরাতে প্রোটিয়াদের দরকার ছিল ১৩৫ রান। সেই লক্ষ্যে ১৯ বল বাকি থাকতে অনায়াসেই পোঁছল দক্ষিণ আফ্রিকা (১৬.৫ ওভারে ১৪০-১)। রবিবার বেঙ্গালুরুতে নয় উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ ড্র করল তারা।

অধিনায়ক কুইন্টন ডি ককের সঙ্গে রিজা হেনড্রিকস ওপেনিংয়েই যোগ করেছিলেন ৭৬ রান। হার্দিক পাণ্ড্যর বলে অসাধারণ ক্যাচ নিয়ে হেনড্রিকসকে (২৬ বলে ২৮) ফেরান ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহালি। তবে তাতে কোনও লাভ হয়নি। বাভুমার সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেটে ৬৪ রান যোগ করলেন কুইন্টন। অধিনায়কোচিত ইনিংসে ৫২ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকলেন তিনি। ডি ককের ইনিংসে রয়েছে ছয়টি চার ও পাঁচটি ছয়। তাঁর পঞ্চাশ এল মাত্র ৩৮ বলে। বাভুমা অপরাজিত থাকলেন ২৭ রানে।

ভারতীয় ইনিংস যে প্রথম তিনজনের উপর কত নির্ভরশীল তা ধরা পড়ল বেঙ্গালুরুতে। রোহিত শর্মা (আট বলে ৯), শিখর ধবন (২৫ বলে ৩৬), বিরাট কোহালি (১৫ বলে ৯) ফিরে যান ৮.৩ ওভারের মধ্যে। স্কোরবোর্ডে তখন ৬৮ রান। সেই চাপ আর কাটিয়ে উঠতে পারল না ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নয় উইকেট হারিয়ে টিম ইন্ডিয়া তুলেছিল ১৩৪ রান। সেই রান নিয়ে বিপক্ষ শিবিরকে কখনই চাপে ফেলা যায়নি।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহালি। যদিও বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রান তাড়াই পছন্দ করে সব দল। কিন্তু নিজেদের পরীক্ষায় ফেলার জন্যই প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। কোহালি চাইছিলেন, ভারতীয় দল যাতে ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বেরিয়ে আসে। আর তাই নিজেদেরই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তিনি। দেখা গেল কোহালি রান না  পেলে মিডল অর্ডার সমস্যা কাটিয়ে ওঠার শক্তি ধরে না।

আরও পড়ুন: ‘বিগ ব্যাশ, সুপার লিগ থেকে ডাক এসেছিল, কিন্তু বাংলার হয়ে খেলব বলে যাইনি’​

আরও পড়ুন: ম্যাচ-ফিক্সিং প্রতিরোধে গাওস্করের টিপস কী জানেন?​

অথচ, নিজেদের মেলে ধরার দারুণ সুযোগ ছিল অনেকের সামনে। কিন্তু, ঋষভ পন্থ (২০ বলে ১৯), শ্রেয়াস আইয়ার (আট বলে ৫), ক্রুণাল পাণ্ড্য (১১ বলে ৬) সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না। ভারতের ব্যাটিংয়ের তিন স্তম্ভ রোহিত-শিখর-কোহালি তাড়াতাড়ি ফেরায় বড় রানের মঞ্চ তৈরি ছিল এই ত্রয়ীর সামনে। তবে তিনজনেই হতাশ করলেন। ৯৮ রানে ছয় উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পাণ্ড্য ও রবীন্দ্র জাডেজা সপ্তম উইকেটে ২৯ রান যোগ করেন। কিন্তু জাডেজা (১৭ বলে ১৯), হার্দিক (১৭ বলে ১৪), ওযাশিংটন সুন্দররা(এক বলে ৪) কেউই ঝড় তুলতে পারেননি স্লগে।

রবিবার বেঙ্গালুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল ভারত। যতই পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা মুখে বলা হোক, প্রথম এগারোয় কোনও পরিবর্তন হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা দলে একটাই পরিবর্তন হয়েছিল। অ্যানরিখ নর্তিয়ের জায়গায় এসেছিলেন বাঁ-হাতি পেসার বিউরান হেনড্রিকস। তিনি চার ওভারে ১৪ রান দিয়ে নিলেন দুই উইকেট। বিয়র্ন ফোর্তানও নিলেন দুই উইকেট। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সফলতম বোলার ছিলেন কাগিসো রাবাডা (৩৯ রানে তিন উইকেট)।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ ধর্মশালায় বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিল। মোহালিতে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৪৯ তুলেছিল কুইন্টন ডি’ ককের দল। জবাবে এক ওভার বাকি থাকতে তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ভারত। আর বেঙ্গালুরুতে দাপটেই সিরিজ ১-১ করল প্রোটিয়ারা। এরপর ২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে টেস্ট সিরিজ।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন