ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ ওয়ান ডে ম্যাচে ৩৪০ রান করেও বিপক্ষকে আটকাতে পারল না পাকিস্তান। ফলে বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজও হেরে গেল সরফরাজ খানের দল।

পাকিস্তানের এই পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারেননি প্রাক্তন পাক পেসার শোয়েব আখতার। ম্যাচ শেষে তাঁর টুইট, ‘‘৩০০ রানের উপর রান আটকাতেও আমরা ব্যর্থ হলাম। বোলিং নিয়ে কোনও ভাবেই সন্তুষ্ট হওয়া যাচ্ছে না।’’

৫০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ৩৪০ রান করে পাকিস্তান। ১১৫ রান করেন বাবর আজ়ম। হাফসেঞ্চুরি করেন মহম্মদ হাফিজ়ও। জবাবে ২১৬ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের। জো রুট, জস বাটলার, মইন আলির মতো ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিনিশারের কাজ করেন বেন স্টোকস। ৬৪ বলে অপরাজিত ৭১ রান করে দলকে জেতান তিনি। 

শোয়েবের ক্ষুব্ধ হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তৃতীয় ওয়ান ডে-তেও ৩৫৯ রান করে বিপক্ষকে আটকাতে পারেনি পাকিস্তান। সে ম্যাচের পরেই বিশ্বকাপ দলে ফেরানো হয় মহম্মদ আমিরকে। কিন্তু তাঁর ‘চিকেন পক্স’ হওয়ায় কবে সুস্থ হবেন তা জানা নেই অধিনায়ক সরফরাজ়ের।

বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টানা তিনটি ওয়ান ডে ম্যাচে তিনশোর উপরে রান করেও জয়ে ধরে রাখা গেল না। হতাশ পাক অধিনায়ক সরফরাজ় মেনে নিয়েছেন, মাঠে তাঁদের আরও বেশি পরিণত ক্রিকেট খেলতে হবে। এবং সেই ব্যর্থতার জন্য তিনি দায়ী করেছেন বিশ্রী ফিল্ডিংকে। সরফরাজ় বলেছেন, ‘‘হাতে আমাদের যথেষ্ট রান ছিল। কিন্তু ম্যাচ বেরিয়ে গেল বাজে ফিল্ডিংয়ের জন্য। আমরা তো বেশ কয়েকটা সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেছি।’’ সেখানেই না থেমে পাক অধিনায়ক আরও বলেছেন, ‘‘গত দেড় বছর ধরে আমরা এই জায়গায় উন্নতি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া যে খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি, সেটা আবারও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে যে কোনও মূল্যে আমাদের সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতেই হবে।’’

তারই মধ্যে শুক্রবারের ম্যাচে কনুইয়ে চোট পেয়েছেন ওপেনার ইমাম উল হক। সরফরাজ় বলেছেন, ‘‘কনুইয়ে চোট লাগলেও তা খুব মারাত্মক বলে মনে হয় না।’’