Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২১ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

ধোনিদের মাথা উঁচু করেই এ বার দেশে ফেরা উচিত

ছ’সপ্তাহ আগে যখন বিশ্বকাপটা শুরু হয়েছিল, তখন অনেক পণ্ডিতই নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই হচ্ছে।

কুমার সঙ্গকারা
২৮ মার্চ ২০১৫ ০৩:৪০
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

ছ’সপ্তাহ আগে যখন বিশ্বকাপটা শুরু হয়েছিল, তখন অনেক পণ্ডিতই নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই হচ্ছে। সত্যি বলতে কী, কাপ ফাইনালে যে সেরা দুটো টিমই উঠল, সেটা নিয়ে কিন্তু কোনও তর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার ভারতের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া অসাধারণ পারফর্ম করল। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ওরা নিয়ে নিয়েছিল। অ্যারন ফিঞ্চ আর স্টিভ স্মিথ দারুণ একটা ভিত তৈরি করে দিল। ভারত সাহসের সঙ্গে পাল্টা লড়াই দিয়েছিল। কিন্তু শেষের দিকে কয়েকটা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস ভারতের সামনে বিশাল টার্গেট খাড়া করে ফেলল।

আমি জানি রান তাড়া করার ব্যাপারে ভারত দুর্দান্ত টিম। কিন্তু এত শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে ৩২৯ তাড়া করা কখনওই সহজ নয়। ভারতের দরকার ছিল ওদের বড় বড় ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে খুব বিশেষ কিছু। কিন্তু শিখর ধবন, রোহিত শর্মা আর বিরাট কোহলির উইকেট অত তাড়াতাড়ি পড়ে যাওয়ায় ওদের ভাগ্য কার্যত ওখানেই ঠিক হয়ে যায়। পরের দিকে এমএস ধোনির ঘাড়ে বড্ড ভারী বোঝা চেপে বসল।

Advertisement

স্টিভ স্মিথের গ্রীষ্মটা দারুণ যাচ্ছে। গত ছ’মাসে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। তিন নম্বরে ব্যাট করে টপ অর্ডারকে আরও পোক্ত করার বাড়তি দায়িত্বটা মনে হয় স্টিভ উপভোগ করছে। টেস্ট সিরিজের পর বিশ্বকাপেও ওর সাফল্যের পর ভারত নিশ্চয়ই ওকে নিয়ে তিতিবিরক্ত হয়ে গিয়েছে! অস্ট্রেলিয়ার এত সাফল্যের পিছনে কিন্তু পুরো টিমের চেষ্টা রয়েছে। যেটা বলা যায় নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রেও। এর উদাহরণ বৃহস্পতিবারও পেলাম। মিচেল জনসনের দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি উইকেট নেওয়া, মিচেল স্টার্কের তীক্ষ্ন বোলিং, ম্যাক্সওয়েলের ছোট কিন্তু উপযোগী ইনিংস আর দুর্দান্ত ফিল্ডিং। ভারতীয় প্লেয়ার আর সমর্থকেরা নিশ্চয়ই প্রচণ্ড হতাশ। তবে বিশ্বকাপে ওরা খুব ভাল খেলেছে। মাথা উঁচু করেই ওদের দেশে ফেরা উচিত। গত কয়েক বছরে ওদের টিমটা প্রচুর ভাঙাগড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। সেটা মাথায় রেখেই বলছি, ওরা ইতিবাচক ভাবে এগোচ্ছে।

যাই হোক, ফাইনালটা দুর্দান্ত ম্যাচ হতে যাচ্ছে। এত বিনোদনে ভরা বিশ্বকাপের যোগ্য ফাইনালই হবে আশা করছি। কাপটা কে জিতবে বলা কঠিন, কারণ দুটো টিম সমান-সমান। ওদের শক্তি ও এক রকম বিস্ফোরক ব্যাটিং, তীক্ষ্ন বোলিং আর বিদ্যুত্‌গতির ফিল্ডিং। অস্ট্রেলিয়া নিশ্চয়ই আশা করবে যাতে ঘরের মাঠে খেলার সুবিধেটা ওরা পায়। এটা কিন্তু একটা ফ্যাক্টর হতে পারে। নিউজিল্যান্ডও এত দিন নিজেদের দেশের উত্তাল সমর্থন উপভোগ করেছে। মনে হচ্ছে লড়াইটা দারুণ হবে।

ধর্মসেনার রেকর্ড

সংবাদ সংস্থা • মেলবোর্ন

রবিবারের বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেই নতুন একটা রেকর্ড হয়ে গেল। যা করলেন আবার এক প্রাক্তন ক্রিকেটার কুমার ধর্মসেনা। বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার পাশাপাশি বিশ্বকাপ ফাইনালে আম্পায়ারিং করার অভিনব নজির গড়লেন এই শ্রীলঙ্কান। ১৯৯৬-এ শ্রীলঙ্কার জার্সিতে ফাইনাল খেলেন ধর্মসেনা। আর রবিবার নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে তিনি অন্যতম ফিল্ড আম্পায়ার। তাঁর সঙ্গে থাকছেন রিচার্ড কেটলবরো, ইয়ান গোল্ড এবং মারায়েস এরাসমাস। ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মদুগলে। আইসিসি জানিয়েছে, রবিবারের ফাইনাল টাই হলে সিদ্ধান্ত হবে সুপার ওভারের মাধ্যমে।



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement