টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের হয়ে খেলেননি শাহিন শাহ আফ্রিদি। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের দলেও তাঁকে রাখেনি পাকিস্তান। তাও সোমবার তিনি বল করলেন করাচিতে। গায়ে ছিল জাতীয় দলের পোশাকও।
হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাঠে ফিরেছিলেন শাহিন। প্রথম কয়েকটি ম্যাচে চেনা ছন্দে বল করতে না পারায় তাঁর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তার পর থেকে তাঁকে দেখা যায়নি পাকিস্তানের জাতীয় দলে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ় খেলেননি। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ়ের জন্যও তাঁকে বিবেচনা করেননি পাকিস্তানের নির্বাচকরা। তবু জাতীয় দলের পোশাক গায়ে সোমবার করাচিতে বল করতে দেখা গেল পাকিস্তানের জোরে বোলারকে।
নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট দেখতে রোজই মাঠে আসতেন শাহিন। স্টেডিয়ামের ভিআইপি বক্সে বসে খেলা দেখতেন। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন সেই শাহিনই নেমে পড়লেন মাঠে। শাহিনকে বল করতে দেখা গেল মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময়। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করেছেন ২২ বছরের জোরে বোলার। সোমবার টেস্টের মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে বল হাতে মাঠে নেমে পড়লেন শাহিন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবর আজ়মদের দলের মেডিক্যাল স্টাফরা। তাঁর হাঁটুর পরিস্থিতি কেমন রয়েছে তা দেখে নিলেন তাঁরা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর আবার যাতে বাঁহাতি জোরে বোলারকে হোঁচট খেতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে চাইছেন পাক জাতীয় দলের মেডিক্যাল স্টাফরা। সোমবার অবশ্য শহিনকে স্বাভাবিক ছন্দে বল করতে দেখা যায়নি। ছোট রান আপে বল করেন। বলের চেনা গতিও দেখা যায়নি। মাঠের ধারে অনুশীলনের উইকেটে বল করলেন শাহিন।
🦅🏏
— Pakistan Cricket (@TheRealPCB) January 2, 2023
Shaheen Afridi resumes his rehabilitation under the national men’s team’s medical staff in Karachi today. pic.twitter.com/hhPkHXYRSI
আরও পড়ুন:
গত বছর জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজ় খেলতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পান শাহিন। তাঁকে এশিয়া কাপের দলে রাখা হলেও খেলতে পারেননি। শাহিনকে অস্ত্রোপচারের জন্য লন্ডনে পাঠানো হয়। অস্ত্রোপচারের পর সম্পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পাওয়ায় আগেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলানো হয়। ফলে আবার ছিটকে যান তিনি। এ বার আর শাহিনকে নিয়ে হঠকারী কিছু করতে চাইছেন না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। ২০২৩ সালে এশিয়া কাপ ছাড়াও রয়েছে এক দিনের বিশ্বকাপ। এই দুই প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রয়োজন শাহিনকে। তাই বাঁহাতি জোরে বোলারকে সম্পূর্ণ ফিট করেই জাতীয় দলে ফেরাতে চাইছেন পাক ক্রিকেট কর্তারা।