Advertisement
E-Paper

লিভারপুল ম্যাচে নেমারের আশায় পিএসজি কোচ

লিভারপুলের কাছে এই ম্যাচ হেরে গেলে নেমারদের এ বারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিযান গ্রুপ স্তরেই শেষ হয়ে যেতে পারে। 

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৮ ০৪:৩৫
লড়াই: নেমার-সালাহ দ্বৈরথের অপেক্ষা। ফাইল চিত্র

লড়াই: নেমার-সালাহ দ্বৈরথের অপেক্ষা। ফাইল চিত্র

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ, বুধবার, কার্যত মরণ-বাঁচন ম্যাচ তাদের। কিন্তু দলের প্রধান দুই তারকা নেমার দা সিলভা স্যান্টোস (জুনিয়র) এবং কিলিয়ান এমবাপের সুস্থতার উপরই লিভারপুলের বিরুদ্ধে প্যারিস সাঁ জারমাঁর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এক দিকে ম্যাচটা নেমার বনাম মো সালাহের দ্বৈরথ। আবার তেমনই গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, লিভারপুলের কাছে এই ম্যাচ হেরে গেলে নেমারদের এ বারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিযান গ্রুপ স্তরেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

প্যারিসের এই ক্লাবটি বর্তমানে কুয়েতের ধনকুবেরদের মালিকাধীন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভাল কিছু করার জন্য তারা প্রচুর খরচও করেছে। বার্সেলোনা থেকে নেমারকে কিনেছে রেকর্ড অর্থে। নতুন কোচও আনা হয়েছে। কিন্তু ফরাসি লিগে ধারাবাহিকতা রক্ষা করলেও ইউরোপে সেরা প্রতিযোগিতায় তারা সব ম্যাচে সাফল্য পাচ্ছে না। গত সেপ্টেম্বরেই যেমন লিভারপুলের কাছে ২-৩ হেরে এসেছে পিএসজি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গত মাসে পিএসজি ৬-১ হারিয়েছে রেড স্টার বেলগ্রেডকে। তবে সেটা খুব বড় কোনও দলের বিরুদ্ধে নয় এবং বিচ্ছিন্ন একটা সাফল্য বলেই ধরা হচ্ছে। ক্লাব ফুটবলে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হিসেবে বিবেচিত হতে গেলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো উচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় যে ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে, সেটা এখনও চোখে পড়েনি নেমারদের খেলায়। এ বারই যেমন লিভারপুলের কাছে হার ছাড়াও তাঁরা নাপোলির সঙ্গে দু’টি ম্যাচই ড্র করেছেন। পিএসজি-র অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা যদিও বলেছেন, ‘‘অ্যানফিল্ডে গিয়ে আমরা কিন্তু জেতার মতো খেলেও ম্যাচ হেরেছিলাম। গড়পড়তা ফুটবল খেললে বড় ক্লাবের বিরুদ্ধে জেতা যায় না। এ বার নিজেদের মাঠে লিভারপুলের বিরুদ্ধে আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে। এই ম্যাচের উপরই সব কিছু নির্ভর করছে। হারলেই আমরা ছিটকে যাব।’’য়ুর্গেন ক্লপের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে সেরা খেলার জন্য কতটা তৈরি পিএসজি? নেমার আর এমবাপের চোট থাকায় সে প্রশ্নটাই সবার আগে উঠছে। এই দু’জন খেলেননি বলেই সম্ভবত ফরাসি লিগে শেষ ম্যাচে জিতেছে নামমাত্র গোলে। এই দুই ফুটবলার মিলে এ মরসুমে মোট ১৩টি গোল করেছেন। আর এদিনসন কাভানি একাই করেছেন মোট ১০টি গোল। তাই একটা মত হচ্ছে, দুই তারকার ছটায় কাভানির কৃতিত্ব গুরুত্ব পাচ্ছে না।

পিএসজি-র কোচ থোমাস তুহেল যদিও নেমারদের পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেছেন, ‘‘ওরা দু’জনই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে। আশা করি দু’জনকেই আমরা লিভারপুলের বিরুদ্ধে পাব।’’ কোনও ভাবে এই ম্যাচটা জিততে পারলে পিএসজি নতুন অক্সিজেন পাবে। বিশেষ করে শেষ ম্যাচে রেড স্টারের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে। আর ক্রিসমাসের আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে গেলে সেটা হবে ক্লাবের কাছে আর একটা বড় ধাক্কা। এমনিতেই এই ক্লাবের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে উয়েফা। তাদের বিরুদ্ধে নতুন ও কিশোর প্রতিভা নেওয়ার সময় বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগও উঠেছে। পিএসজি যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

হাঁটুতে চোট পাওয়ার প্রায় ছ’মাস পরে দলে ফিরেছেন প্রবীণ ব্রাজিলীয় তারকা দানি আলভেস। সাত বছর আগে কাতারের মালিকানাধীন হওয়ার পরে অতীতে প্যারিসে এসে পিএসজি’কে একমাত্র হারাতে পেরেছে বার্সেলোনা আর রিয়াল মাদ্রিদ। তাই লিভারপুলের কাজটাও খুব সহজ নয়। তারা কিন্তু অ্যানফিল্ডের বাইরে গিয়ে শেষ চারটি ম্যাচেই হেরেছে। লিভারপুলের ফরোয়ার্ড জার্দান শাচিরি বলেছেন, ‘‘প্যারিসে গিয়ে ওদের হারানো খুব কঠিন।’’ এই গ্রুপে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে এখন নাপোলি। তাদের পয়েন্ট ৬। সমপরিমাণ পয়েন্ট লিভারপুলেরও। পিএসজি-র পয়েন্ট ৫। রেড স্টারের ৪। চারটি দলই খেলেছে চারটি করে ম্যাচ।

Football Champions League Neymar Paris Saint-Germain
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy