×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

৩০ জুলাই ২০২১ ই-পেপার

ইশান্তদের শাসনে অভিভূত সিমন্সও

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা ২৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:০৭
ভারতীয় পেসারদের আবির্ভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মঞ্চ আরও উত্তেজক হয়ে উঠেছে।—ছবি এএফপি।

ভারতীয় পেসারদের আবির্ভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মঞ্চ আরও উত্তেজক হয়ে উঠেছে।—ছবি এএফপি।

তিনি নিজে আশি এবং নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। সেই প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান ওপেনার ফিল সিমন্স মনে করেন, ভারতীয় পেসারদের আবির্ভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মঞ্চ আরও উত্তেজক হয়ে উঠেছে।

লখনউয়ে আজ, বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে আফগানিস্তান বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট। ভারতই এখন ঘরের মাঠ হয়ে গিয়েছে আফগানিস্তানের কাছে। সেই টেস্ট শুরুর এক দিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ সিমন্স বলেছেন, ‘‘কত দিন আগে বলতে পারব না, তবে আমি যখন এসেছিলাম, তখন মদন লাল ভারতের বোলিং ওপেন করত। আর এখন ভারতের হাতে এমন সব ফাস্ট বোলার আছে, যারা ঘণ্টায় নব্বই মাইল গতিতে বল করতে পারে।’’

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে দুরন্ত বল করেছেন ভারতের পেসাররা। সিমন্স মনে করিয়ে দিতে চান, ‘‘আপনাদের সেরা পেসার যশপ্রীত বুমরা তো এখন দলের বাইরে। ও তো চোট পেয়েছে। এর পরে এই আক্রমণের সঙ্গে বুমরাও যোগ হবে।’’ ভারতীয় পেসাররা যে ভাবে বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলেছেন, তা মনে ধরেছে সিমন্সের। প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান ওপেনার তাই বলছেন, ‘‘সব দল এখন জানে, ভারতকে হারাতে গেলে যেমন ভাল ফাস্ট বোলার লাগবে, তেমনই ভাল স্পিনারও লাগবে। ভাল ফাস্ট বোলারদের বল করতে দেখাটা দারুণ ব্যাপার। সেটা ঘটতে দেখে খুব ভাল লাগছে।’’

Advertisement

ইশান্ত শর্মা, মহম্মদ শামি, উমেশ যাদবদের পেস আক্রমণ ইডেনে ধ্বংস করে বাংলাদেশকে। আর ভারতীয় পেসারদের সেরা মুখ তৈরি হচ্ছেন। বুমরা প্র্যাক্টিসও শুরু করে দিয়েছেন। এ দিন টুইটারে তিনি একটা ছবি পোস্ট করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে নেটে মিডল স্টাম্প দু’টুকরো হয়ে পড়ে আছে। ধরে নেওয়া হচ্ছে, বুমরার বলেই ওই হাল হয়েছিল স্টাম্পের।

ক্ষমা চাইলেন উইলিয়ামসন: বর্ণবিদ্বেষের যে অভিযোগ করেছেন ইংল্যান্ডের পেসার জোফ্রা আর্চার, তা নিয়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে ক্রিকেট দুনিয়ায়। যা নিয়ে নিউজ়িল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও ক্ষমা চেয়ে নিলেন আর্চারের কাছে। তিনি বলেছেন, ‘‘এই ধরনের ঘটনা নিউজ়িল্যান্ড কখনওই সমর্থন করে না। আশা করব, এর কখনও পুনরাবৃত্তি হবে না। আমি ক্ষমাপ্রার্থী। ’’

Advertisement