আরাবুল বাহিনীর বিরুদ্ধে ঘরে ঢুকে হামলার অভিযোগ ভাঙড়ে, রাস্তা আটকালেন গ্রামবাসীরা
ভোটের ফল ঘোষণার পর ফের উত্তপ্ত ভাঙড়। মাছিভাঙা, খামারআইট, উত্তর গাজিপুর, পদ্মপুকুর এলাকায় কার্যত দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলছে বলে অভিযোগ।
1

পথ অবরোধ গ্রামবাসীদের। নিজস্ব চিত্র।

ভোটের ফল ঘোষণার পর ফের উত্তপ্ত ভাঙড়। মাছিভাঙা, খামারআইট, উত্তর গাজিপুর, পদ্মপুকুর এলাকায় কার্যত দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলছে বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, আরাবুল বাহিনী ঘর ঢুকে ভাঙচুর করছে। এলাকায় শুরু হয়েছে বোমাবাজিও। এই দুষ্কৃতী তাণ্ডবের প্রতিবাদে ভাঙড়বাসী রাস্তা অবরোধ করছেন।

 গত ১৯ মে ভোটের দিন থমথমে ছিল যাদবপুর লোকভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভাঙড় এলাকা। সিপিএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং জমি রক্ষা কমিটি প্রতিরোধে আরাবুল বাহিনী কোণঠাসা হয়ে যায়। কার্যত সন্ত্রাসমুক্ত ভাবেই ভোটপক্রিয়া সম্পন্ন হয় ভাঙড়ে।

বিপুল ভোটে তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীর জয়ের পর গ্রামবাসীরা আঁচ করেছিলেন, তাঁদের উপর হামলা হতে পারে।  আরাবুল বাহিনী চড়াও হতে পারে। আশঙ্কা মতোই, আরাবুল বাহিনী এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

আরও পড়ুন: তিন লাখে মিমি-নুসরত, দু’ লাখে বাবুল, বিপুল ব্যবধানে জয়ী রাজ্যের এই তারকারা

এ দিন সকালে থেকেই মাছিভাঙা থেকে শুরু করে নতুনহাট বাজারের কাছে শুরু হয়েছে ব্যাপক বোজাবাজি। এই মুহূর্তে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচন সংক্রান্ত সব খবর

হামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা রাস্তা অবরোধ করেছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আশ্বাস না মিলছে পুলিশ-প্রশাসনের তরফে, তত ক্ষণ অবরোধ চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

আরও পড়ুন: বিহারের ‘লেনিনগ্রাদে’ বিপুল ভোটে হারলেন কানহাইয়া কুমার​

জমি রক্ষা কমিটির তরফে মির্জা হাসান বলেন, “তৃণমূল জিতে আসতেই ফের সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। বহু গ্রামবাসী আহত। একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানোে হয়েছে। নারী-পুরুষ কোনও বিচার না করেই হামলা চলছে।” গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই এই তাণ্ডব চললেও, কার্যত নীরব দর্শক প্রশাসন।

আরও পড়ুন: ‘ইভিএম হাইজ্যাক করেই জয়,’ অভিযোগ ধরাশায়ী মায়াবতীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত