তারাপীঠে পুজো সেরেই পথে শতাব্দী
তারাপীঠে পৌঁছে শতাব্দী বলেন,‘‘ প্রথম বারের ভোটে তারাপীঠে পুজো দিয়েই প্রচার শুরু করেছিলাম। দ্বিতীয় বারও তা-ই। মায়ের ইচ্ছায় এ বারও ফের বীরভূমে প্রার্থী হয়েছি। তাই এসেছি তারাপীঠে। এ বার শুরু করব ভোট প্রচার।’’
Satabdi

আরাধ্যা: তারাপীঠে শতাব্দী রায়। ছবি: সব্যসাচী ইসলাম

তারাপীঠে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। বৃহস্পতিবার সকালে তারাপীঠ মন্দিরে পৌঁছন তিনি। মাতারার পুজো দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের জানান, শুধু রাস্তাঘাটের উন্নয়ন নয়, ঘরে ঘরে প্রতিটি মানুষ যে ভাবে উপকার পেয়েছেন, তা তাঁরা মনে রাখবেন। সে জন্যেই তাঁর পাশে থাকবেন তাঁরা সকলে। শতাব্দীর মন্তব্য, ‘‘জিতবো তো নিশ্চয়ই। এ বারের ভোটে আমার লিড আরও বাড়বে।’’

তারাপীঠে পৌঁছে শতাব্দী বলেন,‘‘ প্রথম বারের ভোটে তারাপীঠে পুজো দিয়েই প্রচার শুরু করেছিলাম। দ্বিতীয় বারও তা-ই। মায়ের ইচ্ছায় এ বারও ফের বীরভূমে প্রার্থী হয়েছি। তাই এসেছি তারাপীঠে। এ বার শুরু করব ভোট প্রচার।’’

শতাব্দী এ দিন বলেন, ‘‘প্রথম বার মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা ছিল। কিন্ত ভরসা অতটা ছিল না। মানুষ ভাবতে পারেননি, শতাব্দী রায় তাঁদের পাশে থাকবে কিনা? কারণ তার কোনও প্রমাণ ছিল না।’’ তাঁর কথায়, ‘‘দ্বিতীয় বার মানুষ ভরসা পেয়েছেন। আর গত দশ বছরে এখানে যে কাজ হয়েছে, সেই কাজ আর বিজেপির অ-কাজ মানুষ দেখেছেন।’’

কংগ্রেস ও সিপিএমের জোটের সামনে লিড নিয়ে এত আশাবাদী কী করে? শতাব্দী বলেন, ‘‘বিধানসভা ভোটেও তো কংগ্রেস-সিপিএমের জোট ছিল। তার ফলাফল কী হয়েছে? এখনও পর্যন্ত ওই দুই দলের উপরমহলই জোট নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন। এ সবে ওই দুই দলের নিচুস্তরের নেতা-কর্মীরাও ধন্দে পড়েছেন।’’

তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরে এ দিন রামপুরহাট ২ ব্লকে দলের ন’টি অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করেন বীরভূম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী। তাঁদের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার পরে তিনি ফুলিডাঙা মাজারে যান। তার পরে রামপুরহাট ১ ব্লকের তুম্বনি গ্রামে স্বাধীনতা সংগ্রামী মুকুন্দবিহারী সাহার প্রয়াণ দিবসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শামিল হন। 

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রে ১০৫টি পঞ্চায়েত এলাকা রয়েছে। এর আগে দু’টি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ওই সব পঞ্চায়েত এলাকার প্রতিটি গ্রামে ঘুরে প্রচার চালিয়েছেন শতাব্দী। তাঁর ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, এ বারেও ওই সূচির ব্যতিক্রম হবে না। শতাব্দী নিজেও জানিয়েছেন, বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে দক্ষ সংগঠন রয়েছেই। তিনি নিজেও প্রতিটি এলাকায় ঘুরে প্রচার করেন। তাঁর মন্তব্য, ‘‘অনেক কাজ এখনও করে উঠতে পারেনি। সাংসদ তহবিলের টাকায় সব তৈরি করা সম্ভব নয়। আশা করি, মানুষ তা জানেন। তবে যতটুকু পেরেছি কাজ করেছি। মানুষ তা-ই আমার পাশে থাকবেন।’’

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফল

  • প্রাইম মিনিস্টার’স অফিস এখন পাবলিসিটি মিনিস্টার’স অফিসে পরিণত হয়েছে।

  • author
    রাহুল গাঁধী কংগ্রেস সভাপতি

আপনার মত