উচ্চ প্রাথমিকে কর্মশিক্ষা ও শরীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগের উপরে যে-স্থগিতাদেশ জারি ছিল, সোমবার তার মেয়াদ আরও ছ’সপ্তাহ বাড়িয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন, ‘ইন্টারভিউ লিস্ট’ (লিখিত পরীক্ষা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার নিরিখে প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা) দু’সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি-র নিজস্ব ওয়েবসাইটে। 

ওই দুই বিষয়ে যে-সব প্রার্থীকে নিয়োগ করতে এসএসসি ইতিমধ্যেই সুপারিশ করেছে, তাঁরা স্থগিতাদেশ তুলতে চেয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের আইনজীবী এক্রামুল বারি জানান, বিচারপতি ভট্টাচার্য জানিয়ে দিয়েছেন, সুপারিশ বলবৎ থাকবে।

শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন ১৪২ জন প্রার্থী। তাঁদের আইনজীবী দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় ও ঝুমা চক্রবর্তী জানান, নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতিতে স্বচ্ছতা নেই। ফলে তফসিলি জাতি ও জনজাতি প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

আইনজীবীরা জানান, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষিতদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অথচ প্রশিক্ষণহীনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এসএসসি-র কৌঁসুলি সুতনু পাত্র আদালতে জানান, শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে নিয়ম মেনেই। তাতে স্বচ্ছতা নেই, এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন।