• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

তিন মোর্চা নেতা পুলিশ হেফাজতে

 DK Pradhan, Tilak Roka and PT Ola
মোর্চার তিন নেতা (বাঁ দিক থেকে) ডি কে প্রধান, তিলক রোকা এবং পি টি ওলা। ফাইল চিত্র।

যে দিন জিটিএ-র দায়িত্ব নিলেন বিনয় তামাঙ্গ, সেই দিনই ভানু ভবনে হামলার মামলায় প্রথম সারির তিন মোর্চা নেতাকে ৮ দিনের জন্য হেফাজতে নিল পুলিশ। পুলিশের তরফে শিলিগুড়ির এসিজেএম আদালতে বলা হল, বিমল গুরুঙ্গ, আশা গুরুঙ্গ ও রোশন গিরি কোথায় লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁদের খোঁজে তদন্তের জন্যই হেফাজতে নেওয়া জরুরি ডি কে প্রধান, তিলক রোকা ও পিটি ওলাকে। এই প্রসঙ্গে তিন জনের আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন, একই মামলায় অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও বিনয়কে কেন ধরা হচ্ছে না?

গত শুক্রবার তিন জনকে গুরুগ্রাম থেকে ধরা হয়। সোমবার তাদের শিলিগুড়ির এসিজেএম আদালতে হাজির করানো হয়। আদালতে সিআইডি জানায়, ধৃত তিন জনেই মোর্চার শীর্ষস্তরের নেতা। বিমল, রোশনের মতো অভিযুক্তরা ঠিক কোথায় রয়েছেন, অস্ত্র-বিস্ফোরক কোথা থেকে এসেছে বা তাঁদের কী কী পরিকল্পনা রয়েছে তা জানার জন্যই ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন।

অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী দীপঙ্কর দে, পার্থ চৌধুরী, অখিল বিশ্বাসেরা দাবি করেন, পুরোটাই রাজ্যের সাজানো মামলা। কেননা, এই একই অভিযোগ রয়েছে বিনয় তামাঙ্গের উপরেও। কিন্তু তাঁকে ধরা তো হচ্ছেই না, বরং এ দিন তামাঙ্গ জিটিএ-র কেয়ারটেকার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন। এমনকী  ডি কে প্রধানদের গ্রেফতার করা হয়নি, তাঁরাই আত্মসমর্পণ করেছেন বলেও দাবি করা হয়।

৮ জুন রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীন ভানুভবন সামনে গোলমাল হয়। ৯ জুন সদর থানায় একাধিক ধারায় বিমল-সহ অভিযুক্তদের নামে মামলা হয়। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। এ দিন সকাল ১১টা থেকে ধৃত তিন নেতাই বেশ খোশ মেজাজে ছিলেন। আদালত চত্বরে ধৃতদের পরিবারের লোকজন এবং মোর্চা কর্মীরা জড়ো হন। ছিল বিরাট পুলিশ বাহিনী। বিকেলে তিলক রোকা মেজাজ হারান। চিৎকার করে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেন।

আর এক অভিযুক্ত দার্জিলিং পুরসভার চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন বিধায়ক ডিকে প্রধান বলেন, ‘‘রাজ্য যদি নিরপেক্ষ হয়, তাহলে বিনয় তামাঙ্গকে কেন ধরছে না। আমাদের ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে।’’ যা শুনে মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, ‘‘আইন মেনেই সব হচ্ছে। এরা দেশদ্রোহী।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন