প্র: অনেক দিন পরে রিয়্যালিস্টিক ছবি করছেন।

উ: আমার মনে হয়, ‘আওরংজ়েব’ দিয়েই ওই জ়োনটায় ঢুকে পড়েছিলাম। ‘ফাইন্ডিং ফ্যানি’ করেছি। কিন্তু রিয়্যালিস্টিক ছবি হলেও, ওগুলো কেউ দেখতে যায়নি। যেহেতু আমি প্রযোজকের ছেলে, তাই আমার গায়ে বাণিজ্যিক তকমাটা প্রথম দিন থেকেই সেঁটে দেওয়া হয়েছিল। আমার প্রথম ছবি ‘ইশকজ়াদে’ কাস্ট সিস্টেম নিয়ে কথা বলে। ‘ইন্ডিয়াজ় মোস্ট ওয়ান্টেড’ আমার করা সবচেয়ে সংবেদনশীল গল্প। 

প্র: আপনার শেষ ছবি ‘নমস্তে ইংল্যান্ড’ তো একদম চলেনি... 

উ: ব্যর্থতা নিয়ে মাথা ঘামাই না, সাফল্য মাথায় চড়তে দিই না। বিরাট কোহালি কি প্রত্যেক বলে ছক্কা মারতে পারেন? আমার কেরিয়ারে ‘টু স্টেটস’, ‘মুবারকা’র মতো হিট ছবিও রয়েছে। একটা শুক্রবার খারাপ গেলে অন্য কোনও শুক্রবার হয়তো আমার ভাগ্য বদলে দেবে। ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ওঠা-পড়া দেখেছি। কাজেই ব্যর্থতা আমাকে নাড়া দেয় না।  

প্র: আপনার বিয়ে নিয়ে চর্চা তুঙ্গে...

উ: কোনও দিন কাউকে দেখেছেন, টাক মাথায় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে? মাথায় চুলটা ফিরে আসুক, তার পরে... জীবনে কোনও কিছু লুকোইনি। বিয়ের দিন ঠিক হলে নিশ্চয়ই জানাব। ব্যক্তিগত জীবনে আমি খুব খুশি। মিডিয়াকে লুকিয়ে বিয়ে করব না। 

প্র: ‘পানিপত’-এর মতো পিরিয়ড ফিল্ম করার অভিজ্ঞতা কেমন?

উ: আমার প্রথম কস্টিউম ড্রামা ‘পানিপত’। সাত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে কাটানোর পরে এত ভাল একটা সুযোগ পেলাম। আশুতোষ গোয়ারিকর অসাধারণ এক জন পরিচালক। রিসার্চ করে ছবি বানান। ওঁর ছবি দেখতে দেখতে মনে হয়, অন্য জগতে চলে গিয়েছি। ওঁর ‘স্বদেশ’ আর ‘জোধা আকবর’ আমার অন্যতম পছন্দের ছবি।

প্র: অনেক দিন হল কাজ করছেন। ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন ক্যাম্পের দলাদলির মধ্যে পড়েছেন?  

উ: কেরিয়ার শুরু করেছি যশরাজ ফিল্মস দিয়ে। তার পরে আদিত্য চোপড়া নিজেই আমাকে বলেন, ‘যা, বাইরে গিয়েও ছবি কর।’ সুতরাং দেখতেই পাচ্ছেন, আমার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়নি। আমার মতে, অভিনেতা আর পরিচালক-প্রযোজকদের মধ্যে একটা কানেকশন তৈরি হয়েই যায়। আর সেটাকেই আমরা ক্যাম্প বলে ধরে নিই। 

প্র: ইন্ডাস্ট্রিতে বন্ধুত্ব কতটা খাঁটি হয়? 

উ: আমি তো ইন্ডাস্ট্রিরই এক জন।  আমাদের পেশায় শুক্রবারগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কিন্তু প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করি না। রেসে আমি হাঁপিয়ে যাই। শুধু অন্যদের কথা ভাবলে মন সংকীর্ণ হয়ে যাবে। তবে ছবি চলা বা না চলার জন্য অনেক সময়ে বন্ধুত্বের সমীকরণ বদলে যায়। এগুলো ভাল লাগে না।