Advertisement
E-Paper

সরস্বতীপুজোয় প্রিয়জনের সঙ্গে ঘুরবেন কোথায়, কলকাতা থেকে শহরতলির এমন ৫ ঠিকানা জানুন

পাটভাঙা শাড়ি, কেতাদুরস্ত পাঞ্জাবি পরে যাওয়া যায় কোথায়? এমন কোনও জায়গা চাই, যেখানে সুন্দর ‘ব্যাকগ্রাউন্ডে’ ছবি উঠতে পারে। খানিকটা সময় ভাল ভাবে ঘোরা যায়। তা হলে বেছে নিতে পারেন ৫ ঠিকানা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:১০
আড্ডা, ছবি তোলা, ঘোরা, সরস্বতীপুজোয় বেড়ানোর ঠিকানা।

আড্ডা, ছবি তোলা, ঘোরা, সরস্বতীপুজোয় বেড়ানোর ঠিকানা। ছবি: শাটারস্টক।

প্রতি দিন যাঁর সঙ্গে দেখা হয়, সেই রাজন্যাকেই হঠাৎ হলুদ শাড়িতে দেখে কেন বুকের মধ্যে উথালপাথাল হয়েছিলেন, অনিমেষ তা বোঝেনি। তবে সরস্বতীপুজোই অন্য চোখে দেখিয়েছিল রাজন্যাকে। নিছক বন্ধুত্বের গণ্ডি পেরিয়ে এখন রাজন্যা তাঁর ‘বিশেষ’ বান্ধবী। আবার আসছে বসন্ত পঞ্চমী। এই বছরটা অন্য রকম, এমন দিনে বান্ধবীর সঙ্গে একটু ঘুরতে, ছবি তুলতে মন তো চাইবেই। বিশেষ বন্ধু হোন বা ক্লাসের সহপাঠী, এই দিনটিতে সেজেগুজে বেরিয়ে পড়ার আনন্দই আলাদা। দিনভর আড্ডা, ঘোরা, ছবি তোলায় যদি উদ্দেশ্য হয় কোথায় যেতে পারেন?

ইকো পার্ক

ঘুরে আসা যায় ইকো পার্ক থেকেও।

ঘুরে আসা যায় ইকো পার্ক থেকেও। — নিজস্ব চিত্র।

নিউটাউনের কাছে ইকো পার্কেও ঘুরে আসতে পারেন। পার্কটি বিশাল বড়। এর একপ্রান্তে রয়েছে বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের রেপ্লিকা। সেই দিকটিতে ভিড় বেশি হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে ঘুরতে চাইলে যেতে পারেন জাপানিজ় টেম্পল বা গার্ডেন এবং ক্যাফে একান্তে-র দিকটিতে। এই জায়গাগুলিতে তুলনামূলক কম ভিড় থাকতে পারে। রেন ফরেস্ট, ঝর্না, বোটিংয়ের বন্দোবস্ত রয়েছে পার্কটির ভিতরে। আড্ডা, ছবি তোলা, ঘোরার জন্য এটিও পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে। ঘোরা যায় পার্কের আশপাশের রাস্তাগুলিতেও। সেই জায়গাগুলিও খুব যত্ন করেই সাজানো।

পরেশনাথ জৈন মন্দির

কলকাতাতেই রয়েছে এমন মন্দির। সাজানো বাগিচা।

কলকাতাতেই রয়েছে এমন মন্দির। সাজানো বাগিচা। —নিজস্ব চিত্র।

কলকাতার বুকের এই মন্দিরটিকে আর-পাঁচটি মন্দিরের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। বরং মনোরম উদ্যান, মার্বেল পাথর আর রঙিন কাচের কারুকাজে তৈরি মন্দিরটি এক নিমেষেই নজর কাড়বে। পাটভাঙা শাড়ি আর কেতাদুরস্ত পাঞ্জাবি পরে তোলা ছবিটির প্রেক্ষাপট ভাল না হলে চলে! মূল মন্দিরের বাগিচায় ছবি তোলায় কোনও বাধা নেই। মানিকতলা থেকে এগিয়ে গৌরীবাড়ির কাছে বদ্রিদাস টেম্পল স্ট্রিটে রয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন চারটি জৈন মন্দির। সকাল ৬টা থেকে ১১টা ও বিকেলে ৩টে থেকে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে মন্দির।

মঙ্গল পাণ্ডে পার্ক

ঘুরে আসা যায় ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে  পার্ক বা জওহর কুঞ্জ থেকেও।

ঘুরে আসা যায় ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে পার্ক বা জওহর কুঞ্জ থেকেও। ছবি:সংগৃহীত।

ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে পার্কেও ঘুরে আসা যায়। ব্যারাকপুরের গঙ্গার পাড়ে উদ্যানটি ঘোরা, আড্ডা মারার ভাল জায়গা। সিপাহী বিদ্রোহের অন্যতম নেতা ছিলেন মঙ্গল পাণ্ডে। ব্যারাকপুরেই তাঁর ফাঁসি হয়েছিল। মঙ্গল পাণ্ডের স্মরণে তৈরি পার্কটি। পার্ক চত্বরেই উন্মুক্ত রেস্তরাঁও আছে। উদ্যান সংলগ্ন স্থান থেকে দাঁড় টানা নৌকায় গঙ্গাবক্ষে ভেসে পড়া যায়। চাইলে টোটো ধরে চলে যেতে পারেন ধোবি ঘাটের কাছে গান্ধী মিউজ়িয়ামে। ঘুরে আসা যায় গঙ্গাপারের আর এক উদ্যান জওহর কুঞ্জেও।

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়ি

‘বুড়ো আংলা’, ‘রাজকাহিনী’-র মতো গল্প, উপন্যাসের লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত বাংলোটি নতুন রূপ পেয়েছে কয়েক বছর হল। গঙ্গার পারে অনেকখানি চত্বর জুড়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে জায়গাটি। রয়েছে প্রচুর ছোট-বড় গাছপালা। গঙ্গার দিকে বাঁধানো ঘাটও রয়েছে। ফোটো সেশনেরও জন্যও জায়গাটি বেশ।

মগরা

সরস্বতীপুজো বলতে স্কুল, পাড়া এবং ঘরের পুজোই জানেন সকলে। তবে সরস্বতীপুজো নিয়েও যে আড়ম্বরপূর্ণ উৎসব হয়, তা বোঝা যাবে মগরা গেলে। হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখার স্টেশন মগরা। এখানে ধুমধাম করে সরস্বতীপুজো হয়। দল বেঁধেই লোকে ঠাকুর দেখেন কলকাতার দুর্গা বা চন্দননগরের জগদ্ধাত্রীর মতোই। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা এবং প্রতিমার বৈচিত্রও দেখার মতোই।

Travel Tips Saraswati Puja 2026
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy