Advertisement
E-Paper

নির্যাতন, বঞ্চনার নালিশে বৃদ্ধা ধর্নায়

তাঁর অভিযোগ, বর্ধমান থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে পুলিশ সুপারকেও। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ অগস্ট ২০১৯ ০০:১২
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিয়ে, পরে স্ত্রী না থাকার সুযোগে বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান শহরের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বাড়ি ও নিজের অধিকার ফেরত চেয়ে তিন নম্বর ইছলাবাদ এলাকায় ধর্নায় বসেন অভিযুক্তের বৃদ্ধা স্ত্রী।

তাঁর অভিযোগ, বর্ধমান থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে পুলিশ সুপারকেও। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছেন তিনি। এ দিন ওই মহিলার সঙ্গে সুবিচারের দাবি করেন তাঁর নব্বই বছরের মা ও দুই বোনও। ছেলেও বাবার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের দাবি।

এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সাদা কাগজে নীল কালিতে লেখা পোস্টার হাতে বসে রয়েছেন ওই মহিলা। পোস্টারে লেখা, ‘স্বামী ও ছেলের দ্বারা অন্ন ও বাসস্থান থেকে বঞ্চিত হয়ে পথে বসেছি। আমি সুবিচার চাই’। ওই মহিলা জানান, ১৯৭১ সালে ওই স্কুল শিক্ষকের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। ২০১০ সালে অবসর নেওয়ার পরে কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ ‘উধাও’ হয়ে যান তিনি। পরে জানা যায়, দুর্গাপুরের এক মহিলাকে তিনি বিয়ে করেছেন। শুরু হয় অশান্তি। বৃদ্ধার দাবি, ‘‘প্রতিবাদ করলে স্বামী ফিরে নির্যাতন শুরু করে। কিন্তু ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে চুপ ছিলাম।’’ তাঁর দাবি, সম্প্রতি সাধনপুরের এক মহিলার সঙ্গেও স্বামীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই মহিলার সঙ্গে থাকতেও শুরু করেন তিনি। এ নিয়ে অশান্তির জেরে মাসখানেক আগে মেয়ের বাড়ি, চুঁচুড়ায় যান ওই বৃদ্ধা। অভিযোগ, ২৫ জুলাই তিনি বাড়ি ফিরে দেখেন, বাড়িতে অন্য লোকজন বাস করছেন। তাঁর দাবি, ‘‘খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, স্বামী ওই ব্যক্তিকে বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছেন। শুধু বাড়িই নয়, ঘরে থাকা সব জিনিসপত্রও বিক্রি করে দিয়েছেন। তার পর থেকেই সুবিচারের আশায় ঘুরে বেড়াচ্ছি আমি।’’

বৃদ্ধার ছেলে কলকাতায় থাকেন। পরিজনেদের দাবি, বাড়ি বিক্রির টাকার ভাগ পেয়ে তিনিও মায়ের বিপক্ষে। যদিও ছেলের সঙ্গে কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি। পুলিশের দাবি, দ্রুত অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Burwdwan Old Woman Right of Woman
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy