কোনও বিদ্যালয় ভবন না থাকায় প্রায় ১৯ বছর ধরে জামুড়িয়ার বরিংডাঙার একটি ক্লাবঘরে শিশু শ্রমিক বিদ্যালয় চলছিল। প্রধান শিক্ষককে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বিদ্যালয় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি কোনও উদ্যোগ নেননি বলে অভিযোগ করে সোমবার ক্লাব সদস্যদের একাংশ ক্লাবঘরে তালা লাগিয়ে দিলেন। বুধবার সমস্যা সমাধানের আর্জি জানিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক পুরসভায় স্মারকলিপি দিলেন।
ক্লাব সদস্য অনিকেত রমনি জানান, প্রাক্তন পুরপ্রধান বিপ্লব চক্রবর্তীর সহয়তায় ক্লাবঘরটি তৈরি করা হয়। তাঁরই অনুরোধে কয়েকদিনের জন্য ক্লাবঘরটি বিদ্যালয়কে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপর প্রায় ১৯ বছর ধরে নাগাড়ে বিদ্যালয়টি ওই ঘরেই চলছে। অনিকেতবাবুর অভিযোগ, ‘‘প্রধান শিক্ষককে বারবার পুরসভার সঙ্গে কথা বলে বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিন্তু উনি অনুরোধে কর্ণপাত করেননি।’’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত দাস যদিও গড়িমসির কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘‘এর আগে ওরা শৌচাগার ও রান্নাঘর বানাতে দেয়নি। ক্লাবঘরেও তালা লাগিয়ে দেওয়ায় পড়ুয়াদের অভিভাবক ও অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে পুরসভায় স্মারকলিপি দিয়েছি।’’
পুরসভার আধিকারিক গৌতম চক্রবর্তীর আশ্বাস, বিষয়টি ক্লাব সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে।