লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের প্রচারে জৌলুস আনতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) থেকে আসা তরুণ মুখদের গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দলকে নির্দেশ দিয়েছেন, লোকসভা ভোটের আগে সভা-সমাবেশ, আলোচনাচক্র এবং সংবাদমাধ্যমের বিতর্কসভা— প্রতিটি পরিসরকে কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্য এবং দলের মতাদর্শের উপযোগিতা প্রচারে কাজে লাগাতে হবে। যাঁরা বিতর্কসভায় বিরোধীদের মত যুক্তি দিয়ে খণ্ডন করতে পারবেন না, তাঁদের দলের মিডিয়া সেল থেকে বাদ দিতে হবে। বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন, শাহের নির্দেশ পালন করতে হলে সঙ্ঘের এমন তরুণ কর্মীদের মিডিয়া সেলে তুলে আনতে হবে, যাঁরা সঙ্ঘের তাত্ত্বিক মতাদর্শ নিয়ে পড়াশোনা করেন। তাঁদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের মুখপাত্রেরা উঠে আসবে। শনি ও রবিবার রাজ্য বিজেপি দফতরে বৈঠক করে এই নির্দেশ স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘মিডিয়া সেলের টিম তৈরি হয়েছে। তাদের এক দফা প্রশিক্ষণ হয়েছে। পরেও হবে।’’
কেন্দ্রীয় নেতা শাহনওয়াজ হুসেন এবং কে কে শর্মা শনিবার এবং দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ রবিবার রাজ্য বিজেপি-র মিডিয়া সেলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিতর্কসভায় যাওয়ার জন্য দু’টি টিম তৈরি হয়েছে বৈঠক থেকে। একটিতে ৩০ বছরের নীচে এবং অন্যটিতে ৪০ বছরের নীচে কর্মীরা রয়েছেন। যে বয়স্ক নেতারা এত দিন বিতর্কসভায় যেতেন, তাঁদের কয়েক জনকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর, শিবপ্রকাশ বৈঠকে জানিয়েছেন, ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিটিতে মিডিয়া সেলের কাজ করার জন্য এক জন করে কর্মী নিয়োগ করতে হবে। ওই সেলের আহ্বায়ক এবং সহ-আহ্বায়কেরা ২০২১ পর্যন্ত ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না।