রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট হাতে (বাঁ দিকে) অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। —সংগৃহীত।
বৃহস্পতিবারই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত মামলার রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৯ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের যে বকেয়া ডিএ ছিল, তার ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাচক্রে, সেই একই দিনে রাজ্য সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হল বিধানসভায়। সেখানেও সরকারি কর্মীদের জন্য ছিল ‘চমক’। ভোটের আগের এই বাজেটে সরকারি কর্মীদের ডিএ চার শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হয়েছে। রাজ্যের অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই বাজেট পেশ করেন বিধানসভায়। ভোটের আগে এই বাজেটে মোট ৪ লক্ষ ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে উপভোক্তাদের জন্য মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতাও চার শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বেতনও মাসে ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে রাজ্য বাজেটে। আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি সহায়কদের ভাতাও ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধির উল্লেখ রয়েছে বাজেটে।
মাধ্যমিক পাশ বেকারদের জন্য ‘বাংলার যুব সাথী’ নামে নতুন ভাতার ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষাবন্ধুদেরও ভাতাও ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে।
রাজ্য সরকারের পেনশনভোগীদের জন্যই সুবিধার কথা ঘোষণা করা হয়েছে অন্তর্বর্তী বাজেটে। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গ ‘হেল্থ স্কিম’-এর আওতায় ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘ক্যাশলেস’ স্বাস্থ্য পরিষেবা পান। বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে, এ বার থেকে ২ লক্ষ টাকার বেশি যা খরচ হবে, তার ৭৫ শতাংশ ‘ক্যাশলেস’ পরিষেবার আওতায় আনা হবে। শীঘ্রই এ বিষয়ে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর লেখা একটি কবিতা পাঠ করে বাজেট বক্তৃতা শেষ করেন চন্দ্রিমা। ওই কবিতা পাঠের সময়ে শুভেন্দু ‘এপাং ওপাং’ বলে খোঁচা দেন। চন্দ্রিমাও তাঁকে পাল্টা বলেন, “চুপ করে শুনুন।” বাজেট বক্তৃতার শেষে ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিও ওঠে বিধানসভায়।
ভোটের আগে ৪ লক্ষ ৬ হাজার কোটি টাকার অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করল রাজ্য সরকার।
সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা।
‘গিগ ইকনমি’র সঙ্গে জড়িতদেরও স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় আনা হবে।
শিক্ষাবন্ধুদেরও ভাতা ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে।
সিভিক ভলান্টিয়ার এবং গ্রিন পুলিশদের বেতন মাসে ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হল। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ১৫০ কোটি টাকা।
মাধ্যমিক পাশ বেকারদের জন্য নতুন ভাতা ঘোষণা রাজ্য সরকারের। এই ভাতা প্রকল্পের নাম দেওযা হয়েছে, ‘বাংলার যুব সাথী’। আগামী ১৫ অগস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। ২১-৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক পাশ যুবক যুবকদের মাসে ১৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। তবে এই ভাতা পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের জন্য।
লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
রাজ্যের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি সহায়কদের জন্য ভাতা ১০০০ টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হল অন্তর্বর্তী বাজেটে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং সহায়কদের মৃত্যু হলে পরিবারকে ৫ লাখ ক্ষতিপূরণের কথাও বলা হয়েছে এই বাজেটে। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে মোট ২৮০ কোটি টাকা।
আশা কর্মীদের জন্য ভাতা ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হল।
বারুইপুরে তৈরি হবে ‘কালচারাল সিটি’। রাজ্যে ছ’টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক করিডোর তৈরি হবে। ক্ষুদ্র, কুটির এবং মাঝারি শিল্পের জন্য পাঁচটি নতুন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কও তৈরি হবে।
‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হল উপভোক্তাদের জন্য। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হবে এই ঘোষণা।
রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হল অন্তর্বর্তী বাজেটে।
দুপুর ২.৩০টের সময়ে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা শুরু করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বিধানসভায় বক্তৃতা করেন। তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পরে বিধানসভায় এক ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয়। সেখানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিভিন্ন মন্তব্যের জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-নিয়ে বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে। বাজেটে ডিএ নিয়ে কী ঘোষণা থাকবে, তা নিয়ে কৌতূহল আগে থেকেই ছিল। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে ডিএ নিয়ে কৌতূহল আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ নিয়ে কোনও ঘোষণা থাকে কি না, সে দিকেও নজর থাকবে।
ভোটের আগের বাজেটে সরকার কী কী ‘চমক’ রাখবে, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচনা অবশ্য ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্প নিয়ে। এখন সাধারণ শ্রেণিভুক্ত মহিলারা এই প্রকল্পে পান মাসে এক হাজার টাকা। তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা পান মাসে ১,২০০ টাকা। বিধানসভা ভোটের আগে কি ফের টাকা বাড়বে লক্ষ্মীর ভান্ডারে?
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy