Advertisement
E-Paper

সাত দিনের মধ্যে শেষ করতেই হবে শুনানির কাজ, চাপ বাড়াল কমিশন! মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের সরানো হচ্ছে শুনানিকেন্দ্র থেকে

কমিশনের নির্দেশ, এসআইআরের শুনানির পরে সেই সংক্রান্ত তথ্য আপলোড হয়ে গেলে এ বার থেকে তা ‘সুপার চেকিং’ করবেন রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩২

— প্রতীকী চিত্র।

আগামী সাত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে এসআইআরের শুনানি এবং তার কাগজপত্র আপলোডের কাজ। এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন। এসআইআর শুনানি নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেখানেই এই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, এ বার শুনানিকেন্দ্র থেকে সরানো হচ্ছে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। সেই সঙ্গে এসআইআরের শুনানির পরে সেই সংক্রান্ত তথ্য আপলোড হয়ে গেলে এ বার থেকে তা ‘সুপার চেকিং’ করবেন রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষকেরা।

বৈঠকে ডিইও, ইআরও, এইআরও-দের কিছু নির্দেশ দিয়েছে কমিশন—

শনিবার বিকেল ৫টার মধ্যে শুনানির বকেয়া সব নোটিস জেনারেট করতে হবে।

যে সব নোটিস এখনও ভোটারদের বাড়িতে পাঠানো হয়নি, সেগুলি অবশ্যই ১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে পাঠাতে হবে এবং তার প্রমাণ বিএলও-দের দ্বারা আপলোড করতে হবে।

সব ধরনের শুনানি এবং শুনানির কাগজপত্র আপলোডের কাজ আগামী সাত দিনের মধ্যেই শেষ করতে হবে।

যে সব মামলার শুনানি আগেই হয়েছে, সেগুলির হাজিরার তথ্য এবং ভোটারদের থেকে নেওয়া কাগজপত্র ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপলোড করতে হবে।

আগামী ২–৩ দিনের মধ্যে শুনানি কেন্দ্রে থাকা মাইক্রো অবজারভারদের সরিয়ে দিয়ে ভোটার তালিকা দেখভালের কাজে লাগানো হবে। তাঁরা রোল অবজার্ভারদের সঙ্গে কাজ করবেন।

জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের খেয়াল রাখতে হবে, যাতে কোনও নিয়ম ভাঙা না হয় এবং সব মামলা নিয়ম মেনে নিষ্পত্তি হয়।

শুনানির যে তথ্য আপলোড করা হচ্ছে, সেগুলি মাইক্রোঅবজার্ভারেরা পরখ করে দেখছেন। অনলাইনে আপলোড হওয়া সেই সব নথি, তথ্য ও সিদ্ধান্ত এ বার বিশেষ পর্যবেক্ষকেরা ‘সুপারচেকিং’ করবেন।

এই সব নির্দেশ সব ইআরও এবং এইআরও-দের জানাতে হবে, যাতে তারা ঠিক ভাবে কাজ করেন।

কমিশন সূত্রে খবর, এসআইআরের শুনানিতে পিছিয়ে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, মালদহ। ওই দুই জেলা-সহ রাজ্যের সব জেলায় শুনানির কাজ এবং তার কাগজপত্র আপলোড আগামী সাত দিনের মধ্যে শেষ করতে বলল কমিশন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষ দিন। ওই মাসের ১৪ তারিখ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। কমিশন সূত্রে খবর ছিল, শুনানির দিন বৃদ্ধি করা হতে পারে। তবে এই নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসেনি কমিশন।

গত ৪ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে। পশ্চিমবঙ্গে খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয় ১৬ ডিসেম্বর। তার পর শুনানি পর্ব শুরু হয়েছে। খসড়া তালিকা থেকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে ১ কোটি ২৬ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৫৮ জন ভোটারকে। তার মধ্যে ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬ জন ছিলেন নো-ম্যাপিং তালিকায়। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা কোনও ভাবেই নিজেদের যোগ দেখাতে পারেননি, তাঁরা নো ম্যাপিং তালিকাভুক্ত। এ ছাড়া তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২ জনকে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy