Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

খানাকুলের শাবলসিংহপুরের এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগে ওই ছাত্রীর গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শনিবার রাতে হাওড়ার ডোমজুড় থেকে বিশ্বজিত্‌ বেরা নামে অভিযুক্ত গৃহশিক্ষককে ধরা হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে ওই নাবালিকাও। রবিবার সকালে ধৃতকে আরামবাগ আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:৪৬

নিখোঁজ নাবালিকা উদ্ধার, ধৃত গৃহশিক্ষক
নিজস্ব সংবাদদাতা • খানাকুল

খানাকুলের শাবলসিংহপুরের এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগে ওই ছাত্রীর গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শনিবার রাতে হাওড়ার ডোমজুড় থেকে বিশ্বজিত্‌ বেরা নামে অভিযুক্ত গৃহশিক্ষককে ধরা হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে ওই নাবালিকাও। রবিবার সকালে ধৃতকে আরামবাগ আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। নাবালিকাকে তার মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে সে মাধ্যমিক পরীক্ষাও দেবে বলে পরিবার সূত্রে খবর। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, গত সোমবার সকালে স্কুলে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি বছর পনোরোর দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী। বাড়ির লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখঁুজির পরে জানতে পারেন গৃহশিক্ষক বিশ্বজিত বেরা তাকে নিয়ে পালিয়েছে। শনিবার দুপুরে নাবালিকার মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। বিশ্বজিতের মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকশনের সূত্র ধরে পুলিশ শনিবার রাতেই ডোমজুড়ে হানা দেয়। সেখানে একটি বাড়ি থেকে বিশ্বজিত্‌কে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গেই ছিল ওই নাবালিকা। যদিও বিশ্বজিত্‌ পুলিশের কাছে দাবি করেছে, তারা একে অপরকে ভালবেসেই ঘর ছেড়েছে। নাবালিকাও পুলিশকে জানায়, তার মাস্টারমশায়ের কোনও দোষ নেই। সে নিজের ইচ্ছাতেই তার সঙ্গে এসেছে।

কারখানায় আগুন, আতঙ্ক
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

লেলিহান শিখার গ্রাসে সেই প্লাস্টিকের কারখানা। রবিবার, ঘুসুড়িতে। ছবি: দীপঙ্কর মজুমদার।

আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে গেল একটি প্লাস্টিকের কারখানা। রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার ঘুসুড়ির জয়বিবি রোডে। পুলিশ জানায়, কারখানাটি এ দিন বন্ধ ছিল। আচমকাই সেখান থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয়েরা। তাঁরাই প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। রাস্তা সরু হওয়ার কারণে প্রথমে দমকলের একটি ছোট ইঞ্জিন আসে। পরে আরও দু’টি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যেও সাময়িক ভাবে আতঙ্ক ছড়ায়। তবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

মগরায় বিজেপি কার্যালয়ে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে ব্যান্ডেল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন (বিটিপিএস) আবাসনের ১ নম্বর গেটের কাছে অসম লিঙ্ক রোডের উপরে বিজেপির ওয়ার্ড কমিটির ওই কার্যালয়টি খুলতে এসে কর্মী-সমর্থকেরা দেখেন, দলীয় পতাকাগুলি ছেঁড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কার্যালয়ের কিছু টালিও ভাঙা। আগের রাতে ওই হামলা হয়, অভিযোগ তুলে তাঁরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে ৯টা থেকে এক ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করেন। পুলিশ গিয়ে অবরোধ তোলে। বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা রাজকুমারী কেশরী বলেন, ‘‘রাজ্য জুড়ে তৃণমূল যে কায়দায় বিজেপির উপর আঘাত হানছে, এখানেও তাই করেছে। এই ভাবে আঘাত হেনে নিজেদের দোষ-ত্রুটি ঢাকা যাবে না। আমরা দলের রাজ্য নেতৃত্ব এবং জেলা প্রশাসনকে ঘটনার কথা জানিয়েছি।” অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। তাদের দাবি, বিজেপির গোষ্ঠী-কোন্দলের জেরেই ওই ঘটনা। দলের বাঁশবেড়িয়া শহর সভাপতি রাজা চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওরা নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের দলের বিরুদ্ধে কুত্‌সা রটাচ্ছে। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে একটার পর একটা মিথ্যা অভিযোগ তুলে বাঁশবেড়িয়া অঞ্চলে অশান্তি বাধানোর চেষ্টা করছে।” পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

হনুমানের লাফে তার ছিঁড়ে মৃত্যু

একটি হনুমানের জন্য রবিবার সকালে বেঘোরে প্রাণ হারালেন ব্যান্ডেলের এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকোপাড়ার বাসিন্দা বিজয় প্রসাদ (২২) বাড়ির কাছেই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন। হনুমানটি এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফাতে গিয়ে ওভারহেড বিদ্যুতের তারে ধাক্কা খায়। সেই তারের নীচেই দাঁড়িয়েছিলেন বিজয়। তারটি ছিঁড়ে নীচে পড়লে বিদ্যুত্‌স্পৃষ্ট হন তিনি। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্‌সকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হনুমানটির অবশ্য কিছু হয়নি। বিদ্যুত্‌ দফতরের কর্মীরা এসে ছেঁড়া তার মেরামতি করেন। দেহটি ময়না-তদন্তে পাঠায় পুলিশ।

তৃণমূল কর্মীকে মারধর, গ্রেফতার

মাসখনেক আগে গোঘাটের খাঁদিঘি এলাকার চণ্ডীবাটি গ্রামের এক তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগে বিশ্বজিত্‌ প্রতিহার নামে এক সিপিএম কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে ধরা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ জানুয়ারি গোঘাটে সিপিএমের মিছিলে যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বেঙ্গাই, খাটুল, চণ্ডীবাটি-সহ কয়েকটি গ্রামে ওই দলের কর্মী-সমর্থকদের উপরে হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরই পাল্টা হিসেবে ওই রাতে চণ্ডীবাটির রাস্তায় দীপক ঘোষ নামে এক তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিশ্বজিত্‌-সহ সিপিএমের সাত জনের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানায়, বাকি অভিযুক্তরা পলাতক।

ভাষা দিবসে হাতেখড়ি। বাগনানে নিজস্ব চিত্র।

southbengal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy